এসআইআর শুনানিতে হাজিরা দিলেন তারকা সাংসদ দেব (DEV)। বুধবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ যাদবপুরের কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে পৌঁছন তিনি। নথি পেশের পর বেরিয়ে কমিশনকে মানবিক হওয়ার আর্জি জানালেন দেব। বললেন, “আমাদের লাইনে দাঁড়াতে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু যারা বৃদ্ধ, অসুস্থ তাঁদের লাইনে দাঁড়ানো সমস্যার। কমিশনকে বলব, তাঁদের যদি বাড়ি গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করা যায়।”
রাজ্যে এসআইআর-এর শুনানি পর্ব চলছে। নথিতে সামান্য গরমিলেও তলব করা হচ্ছে ভোটারদের। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে বৃদ্ধ, অসুস্থদেরও। শুনানিতে ডাক পেয়েছেন জয় গোস্বামী, মহম্মদ শামি, লক্ষ্মীরতন শুক্লা-সহ বহু বিখ্যাতরা। সেই তালিকায় নাম ছিল ঘাটালের সাংসদ তথা অভিনেতা-পরিচালক দেবেরও। নোটিস পাঠিয়ে আজ, বুধবার তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। এদিন নির্দিষ্ট সময়েই যাদবপুরের কাটজুনগর স্বর্ণময়ী স্কুলে পৌঁছন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে একনজর দেখতে উপচে পড়ে ভিড়। তবে গাড়ি থেকে নেমে সোজা স্কুলের ভিতরে চলে যান দেব।
আরও পড়ুন:

বেরিয়ে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হন তিনি। বলেন, “দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে যা কর্তব্য সেটাই করলাম। যা যা নথি চেয়েছিল তা দিলাম। তবে আমাকে ডাকার পর থেকে অনেকে ফোন করেছেন। জানিয়েছেন বৃদ্ধ, অসুস্থদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে। অনেকে ভয় পাচ্ছেন। এসআরএর ক্ষেত্রে আমাদের বয়সের নাগরিকদের কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু সিনিয়র সিটিজেন অর্থাৎ যাদের ৭০-৮০ উর্ধ্ব বয়স, অসুস্থ তাঁদের রিলিফ দেওয়া প্রয়োজন। তাই কমিশনের কাছে আবেদন যে বিষয়টা একটু ভেবে দেখা হোক। কমিশনের কাছে তাঁর আরও আর্জি, “নির্বাচনটা মানুষের কাছে উৎসব। তাই কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না যায়।” এদিন শুনানির পর এসআইআরের কাজে যুক্ত সকলকে কুর্নিশ জানান দেব। ছবিও তোলেন তাঁদের সঙ্গে।

প্রসঙ্গত, দেবকে তলব নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই কমিশনকে নিশানা করছে তৃণমূল। এদিন তার পালটা দিলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ। তিনি বলেন, “কেন দেবকে তলব করা হবে না? উনি তো মুম্বইয়ে থাকতেন। ২০১০ সালের পর ভোটার হয়েছেন। নথি দেখালেই সমস্যা মিটে যাবে।”
সর্বশেষ খবর
-
‘বিজেপির দরজা বন্ধ, তাতেই দলটা…’, তৃণমূলের ভাঙনে অভিষেকের ‘দরজা’ মন্তব্য মনে করালেন দিলীপ
-
চালকল সিন্ডিকেটের ‘অঘোষিত সম্রাট’,কোটি কোটি টাকা আত্মসাতে গ্রেপ্তার অনুব্রতর ‘ছায়াসঙ্গী’
-
এবার কলকাতা পুরসভাতেও ‘নতুন তৃণমূল’, কানন-স্নেহে ‘ছোট লালবাড়ি’র রাশও হারাবেন মমতা!
-
সিএবির সাপোর্ট ছাড়া একশো ম্যাচ খেলতে পারত? ‘প্রতিভাহীন’ সৌরাশিসকে পালটা কোষাধ্যক্ষের
-
তৃণমূলের হাতছাড়া বিধাননগর পুরনিগমও! ইস্তফা দিলেন মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী