Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

‘নির্বাচিত কাউন্সিলরদের কেউ কি যোগ্য ছিলেন না?’ প্রশ্ন দিলীপের

আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত বেআইনি, দাবি সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০১৮, ১৭:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০১৮, ১৭:৩৪

options
link
‘নির্বাচিত কাউন্সিলরদের কেউ কি যোগ্য ছিলেন না?’ প্রশ্ন দিলীপের zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: বিধানসভায় পুর আইনের সংশোধনী বিলকে সমর্থন করেছে বিজেপি৷ কলকাতা পুরসভার পরবর্তী মেয়র হিসেবে যাঁর নাম ওঠে আসছে, সেই ফিরহাদ হাকিমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দলের রাজ্য সভাপতি ও বিধায়ক দিলীপ ঘোষ৷ কিন্তু, স্রেফ নতুন মেয়র মনোনয়নের জন্য আইন বদলের বিরোধিতা করেছেন তিনি৷ এদিকে পুর আইন সংশোধনের প্রক্রিয়াকেই বেআইনি বলে অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন পুর ও নগরোয়ন্নন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য৷ তিনি নিজে শিলিগুড়ি পুরনিগমের মেয়রও বটে৷

[ বিধানসভায় পাশ পুর আইনের সংশোধনী বিল, শোভনকে ধন্যবাদ মুখ্যমন্ত্রীর]

Advertisement

ব্যক্তিগত জীবনে নানা সমস্যায় জেরবার৷ এদিকে আবার রাজনৈতিক জীবনে দায়িত্বও কম নয়৷ একদিকে কলকাতা পুরসভার মেয়র, অন্যদিকে আবাসন ও দমকলের মতো গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের মন্ত্রীও ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়৷ তৃণমূলের অন্দরে খবর, মেয়র ও মন্ত্রীর দায়িত্বে অবহেলার জন্য শোভনের উপর রীতিমতো ক্ষুদ্ধ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বেশ কয়েকবার তাঁকে সতর্কও করেছিলেন তৃণমূলনেত্রী৷ দু’জনের দূরত্ব বাড়ছিল৷ শেষপর্যন্ত একদিনের ব্যবধানে মন্ত্রী ও মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়৷ পরবর্তী মেয়র হিসেবে পুর ও নগরোয়ন্নন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে কুর্সিতে বসানোর সিদ্ধান্ত পাকা বলেই খবর৷ সূত্রের খবর, কলকাতা পুরসভার নয়া ডেপুটি কাউন্সিলর হচ্ছেন মেয়র পারিষদ(স্বাস্থ্য)অতীন ঘোষ৷ কিন্তু মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর নন৷ তাই তিনি মেয়র হতে পারবেন না৷ কারণ বাম আমলের পুর আইন অনুযায়ী, মেয়র মনোনীত হওয়ার জন্য কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর হওয়া বাধ্যতামূলক৷

বৃহস্পতিবার বিধানসভায় পুর আইন সংশোধনী বিল পেশ করেন পুর ও নগরোয়ন্নন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিং স্বয়ং৷ মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিল পাশও হয়ে গিয়েছে৷ অধিবেশনে সংশোধনী বিল সমর্থন করেছে বিজেপি৷ তবে আইন বদলের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও খড়গপুরের বিধায়ক দিলীপ ঘোষ৷ তাঁর বক্তব্য, ‘নয়া আইন কার্যকর হলে সাংবিধানিক ব্যবস্থার ওপর থেকে মানুষের বিশ্বাস ওঠে যাবে৷ শাসকদলের ১২২ জন কাউন্সিলরের কেউই কি যোগ্য ছিলেন না? স্রেফ কাউন্সিলর নন, এমন একজনকে মেয়র করার জন্য আইন বদলে ফেলতে হল সরকারকে!’  এদিকে সংবিধান না বদলে পুর আইন সংশোধনের সিদ্ধান্ত  বেআইনি বলে অভিযোগ করেছেন বাম আমলের পুর ও নগরোয়ন্নন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য৷ তিনি নিজে এখন শিলিগুড়ির পুরনিগমের মেয়র৷ অশোক ভট্টাচার্যের দাবি, মন্ত্রী, বিধায়ক, এমনকী সাংসদও মেয়র হতে পারেন৷ কিন্তু পুর আইন মেনে আগে কাউন্সিলর নির্বাচিত হতে হবে৷ পুরসভায় যাঁর ভোটদানের ক্ষমতা নেই, তিনি কখনই মেয়র হতে পারেন না৷ তাঁর বক্তব্য, মনোনীত নন, মেয়রকে নির্বাচিত হতে হয়৷ তাই পুর আইন পালটাতে গেলে সংবিধান সংশোধন করতে হবে৷ আর সেক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির সম্মতি প্রয়োজন৷ পুর আইন সংশোধনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতে মামলা করার বিষয়ে ভাবনা-চিন্তা চলছে বলে জানিয়েছেন সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য৷

[ শোভনকে আইনি নোটিস রত্নার, সাতদিনের মধ্যে জবাব তলব]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.