স্টাফ রিপোর্টার: ১৯ জানুয়ারির পর ৩ ফেব্রুয়ারি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রাহুল গান্ধীর প্রকাশ্য সমর্থনে দিশেহারা প্রদেশ কংগ্রেস। অস্তিত্ব ধরে রাখতে শেষ পর্যন্ত হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে সিপিএমকেই ‘খুঁটি’ করছেন বাংলার কংগ্রেস নেতারা। ১৯ জানুয়ারি ব্রিগেডে ‘ইউনাইটেড ইন্ডিয়া র্যালি’ করে তৃণমূল। বিজেপি বিরোধী এই লড়াইয়ে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পূর্ণ সমর্থন জানান সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী। তৃণমূলের ব্রিগেডের সভায় মল্লিকার্জুন খাড়গেকে দূত হিসাবে পাঠিয়েছিলেন কংগ্রেস সভাপতি। এরপর বিজেপি বিরোধী লড়াইয়ে ‘সেভ ইন্ডিয়া’ ব্যানারে রবিবার রাত থেকে মেট্রো চ্যানেলে ধরনায় বসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশে দাঁড়িয়েছেন রাহুল গান্ধী। মমতাকে ফোন করেন রাহুল। পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। বলেন, মমতার পাশে আছেন।
[মমতাকে ‘তাড়কা রাক্ষসী’র সঙ্গে তুলনা, বিতর্কে হরিয়ানার বিজেপি নেতা]
এই অবস্থায় আগামী ৯ তারিখ সোমেন মিত্র, আবদুল মান্নানকে দিল্লিতে তলব করেছেন রাহুল গান্ধী। লোকসভা নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে ওই বৈঠকে বাংলার কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চান দলের সর্বভারতীয় সভাপতি। এদিকে, রাহুল যখন মমতার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তখন আগের মতোই তৃণমূল বিরোধিতায় সরব হয়েছেন সোমেন মিত্র ও অধীর চৌধুরি। দু’জনই দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে তৃণমূল বিরোধিতায় সুর চড়িয়েছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “সর্বভারতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে রাহুল গান্ধী সমর্থন জানিয়েছেন মমতার ধরনাকে। তার সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেসের আন্দোলনের কোনও সম্পর্ক নেই। তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রদেশ কংগ্রেসের আন্দোলন চলবে।” আর্থিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে দ্রুততার সঙ্গে তদন্তের দাবিতে ৬ ফেব্রুয়ারি ওয়েলিংটন থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত মিছিলের কর্মসূচি নিয়েছেন সোমেনবাবু।
[শহিদ স্বামীর হয়ে মমতার হাত থেকে পুরস্কার নিলেন বিউটি মালিক]
আর এই অবস্থায় তৃণমূল বিরোধিতায় সুর চড়িয়ে লোকসভা ভোটে সিপিএমকেই জোট সঙ্গী করতে চাইছেন বাংলার কংগ্রেস নেতারা। বিধানসভায় সেই ছবিটা দেখাও যাচ্ছে। যেখানে কংগ্রেস নেতা আবদুল মান্নান ও সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী যৌথভাবে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছেন। একযোগে বিক্ষোভ কর্মসূচি নিচ্ছেন। আরও গুরুত্বপূর্ণ হল, এদিন সংসদে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি। সূত্রের খবর, রাহুল-সীতারামকে বলেছেন, বাংলায় কংগ্রেস নেতৃত্ব যা করছে, সেটা তাদের ব্যাপার। সেখানে দিল্লি মাথা গলাবে না। প্রাথমিকভাবে বাংলায় আসন রফা নিয়েও কথা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
সর্বশেষ খবর
-
তামিলনাড়ুতে বিজেপিতে মহাভাঙন! আন্নামলাই, নাগার্জুনের পর দল ছাড়লেন সুমতি
-
অস্তাচলে তৃণমূলের সূর্য! ২৮ বছর পর ‘ছুটি’ পেলেন মমতার ‘বক্সীদা’
-
সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে যাচ্ছেন রোহিত, ইংল্যান্ড সিরিজেও কোহলিকে নিয়ে অনিশ্চয়তা
-
প্রকৃতির ডাকেই মিলবে ভবিষ্যতের দিশা, বিশ্ব পরিবেশ দিবসে বার্তা ‘ইউনিসেফ’-এর
-
‘শেখানো তোতাপাখি’ করে রেখেছিলেন সিবিআইয়ের আইনজীবী! বিস্ফোরক অভয়ার বাবা