Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Vishva Hindu Parishad

‘থিমের নামে ডিমের প্যান্ডেল নয়’, প্রতিমা নিয়েই বা কী বলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ?

প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম দুর্গাপুজোয় কি কলকাতায় থিমের প্যান্ডেল দেখা যাবে না।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১২:৫১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৯, ২০২৬, ১২:৫১

options
link
‘থিমের নামে ডিমের প্যান্ডেল নয়’, প্রতিমা নিয়েই বা কী বলছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ? zoom
প্রতিদিন গ্রাফিক্স
Advertisement

বর্তমানে দুর্গাপুজোয় থিমের ছড়াছড়ি। কোথাও মণ্ডপ মন্দিরের আদলে তৈরি কিংবা সাম্প্রতিক কোনও ঘটনাকে ফুটিয়ে তোলা হয় মণ্ডপে। আবার কোথাও মণ্ডপ তৈরিতে নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয়। তবে থিমভাবনা নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সাম্প্রতিক দাবি ঘিরে চলছে নানা চর্চা। প্রশ্ন উঠছে, রাজ্যে পালাবদলের পর প্রথম দুর্গাপুজোয় কি কলকাতায় থিমের প্যান্ডেল দেখা যাবে না। সম্প্রতি সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও বার্তায় সে প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের মার্গ দর্শকমণ্ডলীর সদস্য নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী।

তিনি বলেন, “আমাদের থিমে কোনও আপত্তি নেই। থিম উন্নত শিল্পকলা। তবে তার মধ্যে বিকৃত শিল্পকলাও থাকে। সেখানে বিরোধিতার কথা বলেছি। থিমের নামে ডিমের প্য়ান্ডেল, জতোর প্যান্ডেল চলবে না। পুজোর সঙ্গে কোনও সম্পর্কই নেই, এমন জিনিস তুলে ধরছেন তারা। সনাতনী ভাবধারা মেনে ভারতে থাকা মন্দিরের আদলে করা যেতেই পারে মণ্ডপ। কারণ, প্রতিমা মন্দিরে অবস্থান করে।”

Advertisement

প্রতিমা কেমন হবে, সে ব্যাখ্যাও দেন নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী। “সাবেকিয়ানা করতেই হবে, তা নয়। মূর্তির যেন শালীনতা বজায় থাকে। মূর্তির মধ্যে যেন মাতৃত্ব বজায় থাকে। মূর্তিতে বিকৃতভাবে দেখানো না হয়। থিমের মধ্যে বিধবা শাড়ি পরিয়ে দুর্গাকে দাঁড় করিয়ে দেওয়া যাবে না। অস্ত্র হাত থেকে খুলে অন্য কিছু লাগিয়ে দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মে যেভাবে দুর্গাকে উল্লেখ করা হয়েছে, সেই সাবেকিয়ানার কথা বলা হয়েছে। তার মধ্যে আধুনিকতা নিশ্চয়ই থাকবে। তবে পোশাক-আশাক, থিমে যেন মাতৃত্ব ফুটে ওঠে।” আমিষ খাবার নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গেও নির্গুণানন্দ ব্রহ্মচারী। তিনি জানান, বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সার্বিকভাবে বাংলার পুজোতে আমিষ বন্ধ করার কথা বলছে না। তবে তাদের সাফ কথা, পুজো মণ্ডপের আশেপাশে কোনওভাবেই আমিষ খাবার বিক্রি করা বা খাওয়া যাবে না। মাতৃপ্রতিমার আশেপাশে যাতে কোনওভাবেই আমিষের ছোঁয়া না আসে, সেটা নিশ্চিত করাটাই তাদের মূল লক্ষ্য। বলে রাখা ভালো, এই প্রথমবার রাজ্যে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। পালাবদলের পর এই প্রথম পুজো। তবে তার আগে পুজোর থিম নিয়ে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অবস্থান ঘিরে চলছে জোর চর্চা। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই ভাবনাচিন্তা শুরু করেছেন পুজো উদ্যোক্তারা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.