Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
Sand Smuggling Case

বিপুল আর্থিক দুর্নীতি! বালি পাচার মামলায় ১৪টি সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডির

অরুণ শরাফকে গ্রেপ্তারের ৬০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দিল ইডি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৮:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ১৮:৪৮

options
link
বিপুল আর্থিক দুর্নীতি! বালি পাচার মামলায় ১৪টি সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট ইডির zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: বালি পাচার মামলায় (Sand Smuggling Case) চার্জশিট জমা দিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। অরুণ শরাফ-সহ অন্য অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের ৬০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দিল ইডি। শনিবার মোট ১৪টি সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যাংকশালে ইডির বিশেষ আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। ইডির দাবি, ১৪৫ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। জিডি মাইনিং-সহ ১৪টি সংস্থার মাধ‍্যমে এই টাকা বিভিন্ন ক্ষেত্রে সরানোর অভিযোগ মিলেছে বলে দাবি করেছে তদন্তকারী সংস্থা।

গত ৬ নভেম্বর ইডির হাতে গ্রেপ্তার হন জিডি মাইনিংয়ের কর্ণধার অরুণ শরাফ। তাঁর বিরুদ্ধে ইডি অভিযোগ করে যত ধরনের জালিয়াতি সম্ভব, তার সবটাই করা হয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গল স্যান্ড (মাইনিং, ট্রান্সপোর্ট, স্টোরেজ ও সেল) বা WBMDTCL-এর সমস্ত নিয়মাবলিকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বালি খনন ও তা বিক্রি করে বিপুল মুনাফা লুটেছেন অরুণ শরাফ!

Advertisement

অভিযোগ, অন্তত ৭৯ কোটি সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেছেন তিনি। এই সংস্থার ব‍্যাঙ্কের হিসেবেও গরমিল রয়েছে অভিযোগ ইডির। জানা যাচ্ছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে সংস্থার ব‍্যাঙ্কে জমা পড়েছিল ১৩০ কোটি টাকা। কিন্তু বালি বিক্রি করে ১০৩ কোটি টাকা জমা করা হয়েছে ব্যাঙ্কে। শুধু অরুণের সংস্থা নয়, আরও বহু সংস্থার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়া হয়েছে। সেখানে তদন্তকারীরা তুলে ধরেছেন কীভাবে অবৈধ্য ভাবে বালি পাচার করা হত।

তদন্তকারীদের দাবি, বালি তোলার ক্ষেত্রে যে লরিকে অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, সেই গাড়ির নম্বর দিতে হতো। কিন্তু অভিযোগ, একই নম্বর ব্যবহার করেই একাধিক লরিতে চলত এই বালি পাচার। কার্যত অনেক ক্ষেত্রেই তা প্রশাসনের বোঝার বাইরে ছিল। আপাতদৃষ্টিতে দেখলে স্বাভাবিকভাবেই মনে হত, অনুমতি পাওয়া লরিই বালি তুলছে। কিন্তু সেই নম্বরকে ব্যবহার করে আদতে একাধিক লরিকে ব্যবহার করেই চলত এই বালির দুর্নীতি। এখানেই শেষ নয়, বালি তোলার ক্ষেত্রে অনুমতি পত্রে কিউআর কোড দেওয়া হত। অভিযোগ, সেই কিউআর কোডকেও জাল করা হত। সেই মামলায় তদন্তে নেমে চার্জশিট দিল ইডি।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.