Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
ED Raid

দিনভর কলকাতায় তল্লাশি ইডি-র! উদ্ধার তিন কোটি টাকা

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গিয়েছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২৫, ২১:৩৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৩০, ২০২৫, ২১:৩৩

options
link
দিনভর কলকাতায় তল্লাশি ইডি-র! উদ্ধার তিন কোটি টাকা zoom

অর্ণব আইচ: পুর নিয়োগ তদন্তে শহরজুড়ে তল্লাশি চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। মহানগরের সাত জায়গায় মঙ্গলবারের তল্লাশিতে মোট তিন কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, টাকার পাশাপাশি বিভিন্ন জমির দলিল-সহ অন্যান্য নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, এই তল্লাশিতে পুর নিয়োগ কেলেঙ্কারির মূল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে টাকা পাচারের তথ্য পাওয়া গিয়েছে। ইডি জানিয়েছে, আর আগের তল্লাশিতে পশ্চিমবঙ্গের বিধায়ক এবং দমকলমন্ত্রী সুজিত বোসের অফিসেও তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

গত মঙ্গলবার সকাল থেকেই পুর নিয়োগ দুর্নীতে তদন্তে অ্যাকশন মোডে ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। মঙ্গলবার বেলেঘাটা-সহ শহরের বেশ কয়েকটি জায়গায় হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। জানা গিয়েছে, পুর নিয়োগ মামলায় বেশ কিছু নতুন তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। বেশ কয়েকটি সংস্থার নাম সামনে এসেছে। সেই তদন্তেই ফের মিলেছে টাকার পাহাড়ের হদিশ!

Advertisement

মঙ্গলবার, বেলেঘাটার ৭৫ নম্বর হেমচন্দ্র নস্কর রোডের একটি বাড়িতে হানা দেয় ইডি। কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ঘেরাটোপে ছয়জনের একটি ইডির দল সেখানে তল্লাশি চালায়। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় দীর্ঘদিন ধরেই তদন্ত চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। অয়ন শীল-সহ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। তাঁদের জেরা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধীরে ধীরে রহস্যের শিকড়ের কাছাকাছি পৌঁছচ্ছেন তদন্তকারীরা। সেই সূত্রে ধরে চলতি মাসের শুরুতেই কলকাতার একাধিক জায়গায় হানা দেন ইডির অফিসাররা। এমনকী মন্ত্রী সুজিত বসুর সল্টলেকের অফিস এবং তাঁর ছেলের রেস্তরাঁতেও অভিযান চলে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই অভিযান। যদিও ইডির এই অভিযানকে বিশেষ গুরুত্ব দেননি সুজিত বসু। তাঁর কথায়, “প্রত্যেকবার ভোটের আগেই ওরা এটা করে। বাড়ি, অফিস সব জায়গায় যায়। আগেও রেড করে কিছু পায়নি। ভোটের আগে চাপ তৈরি করতে এসব করে।” সেই রেশ কাটতে না কাটতে ফের পুর নিয়োগ মামলায় তৎপর কেন্দ্রীয় এই তদন্তকারী সংস্থা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.