Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Arpita Mukherjee

পণ্ডিতিয়া রোডের অর্পিতার বেনামী ফ্ল্যাটে ফের ইডির হানা, তল্লাশিতে মিলবে আরও নগদ?

পার্থ-অর্পিতাকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করছে ইডি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২২, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৪, ২০২২, ১৩:৩৮

options
link
পণ্ডিতিয়া রোডের অর্পিতার বেনামী ফ্ল্যাটে ফের ইডির হানা, তল্লাশিতে মিলবে আরও নগদ? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের বেনামী ফ্ল্যাটে ইডির (Enforcement Directorate) হানা। বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সরোবর থানা এলাকার পণ্ডিতিয়া রোডের এক বিলাসবহুল আবাসনে হানা দিল তদন্তকারী আধিকারিকরা। প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়া পর্যন্ত, আবাসনের চারিদিকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের মোতায়েন করা হয়েছে। চাবিওয়ালাকে নিয়ে ফ্ল্য়াটের দরজা খোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।

গতকাল অর্থাৎ বুধবারই আদালতে ইডির আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন, অপির্তা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee) এবং পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) যৌথ মালিকানায় একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। রয়েছে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টও। নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে নেমে সেই সম্পত্তি এবং লেনদেনের বিস্তারিত তথ্য হাতে পেতে চাইছে ইডি। তাই এদিন সকাল থেকেই অর্পিতা-পার্থকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করছে তদন্তকারীরা। এর মাঝেই রবীন্দ্র সরোবর থানায় যান ইডি কর্তারা। সেখান থেকে পণ্ডিতিয়া রোডের আবাসনে হানা দেন তারা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: হাই কোর্টে ফের ধাক্কা রাজ্যের, ম্যাকাউটের উপাচার্য অপসারণের বিজ্ঞপ্তি খারিজ]

ইডি সূত্রে খবর, আবাসনের ৬ ব্লকে ৫০৩ নম্বর ফ্ল্যাটটি আসলে বেনামে অর্পিতার সম্পত্তি। মালিক হিসেবে ব্যবসায়ী ঝুনঝুনওয়ালার নাম রয়েছে। পরশু দিন ওই ফ্ল্যাটে হানা দিয়েছিল ইডি। কিন্তু ফ্ল্যাটে ঢুকতে পারেনি। নোটিশ সাঁটিয়ে ফিরে এসেছিল। এদিন ফের একবার সেই ফ্ল্যাটে তালা খুলে ঢোকার চেষ্টা করছে তারা। কী রয়েছে ফ্ল্যাটে, ফের একবার তা নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

এদিকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে ইডির জমা করা সিজার লিস্ট দেখে চক্ষু চড়কগাছ। সিজার লিস্ট অনুযায়ী, অর্পিতার রথতলা ফ্ল্যাট থেকে ৪ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার সোনা উদ্ধার হয়েছিল। সোনার বাট ছাড়াও উদ্ধার রয়েছে ৬টি কঙ্কন। প্রতিটির ওজন ৫০০ গ্রাম। মিলেছে ১৮টি সোনার দুল, ১১টি বালা, লম্বা তিনটি গলার হারও। ইডির সন্দেহ, চাকরি চুরির (SSC Scam) টাকা দিয়েই এই গয়না কেনা হয়েছিল। 

[আরও পড়ুন: ‘স্যর কিছু খাননি?’ ইডি হেফাজতেও নিয়মিত পার্থর খোঁজ নিচ্ছেন অর্পিতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.