Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
MLA

সংসার চালাতে টানাটানি, পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে স্পিকারের দারস্থ প্রাক্তন বিধায়করা

বর্তমানে প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন মাসিক ১২ হাজার টাকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১, ২১:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১, ২১:৪৭

options
link
সংসার চালাতে টানাটানি, পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে স্পিকারের দারস্থ প্রাক্তন বিধায়করা zoom

বু্দ্ধদেব সেনগুপ্ত: পেনশন বৃদ্ধি-সহ আটদফা দাবিতে অধ্যক্ষের দারস্থ হল প্রাক্তন বিধায়কদের (Ex MLA) নবগঠিত সংগঠন এক্স এমএলএ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোশিয়েশন। বুধবার সংগঠনের সদস্যরা অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে দাবিদাওয়া পেশ করেন। সংগঠনের নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলার পর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন অধ্যক্ষ।

রাজ্যে প্রায় ছ’শোর কাছাকাছি প্রাক্তন বিধায়ক রয়েছেন। বর্তমানে প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন মাসিক ১২ হাজার টাকা। আর চিকিৎসা খরচ বাবদ পান ৬ হাজার টাকা। এছাড়াও রেলে যাতায়াতের জন্য ৩০ হাজার টাকার কুপন পান। ফলে এঁদের অনেকেরই আর্থিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। আগেও পেনশন বৃদ্ধির দাবিতে একাধিকবার বিভিন্ন উদ্যোগ নেয় বিধানসভা। এবার প্রাক্তন বিধায়কদের দাবিদাওয়া আদায়ে গঠিত হল সংগঠন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উভয়ের সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ক হলে পকসো আইনে মামলা নয়, পর্যবেক্ষণ হাই কোর্টের]

এদিন অধ্যক্ষের কাছে যে স্মারকলিপি দেওয়া হয় তাতে দাবি করা হয়, পেনশন ১২ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৪০ হাজার করার দাবি করা হয়। সেইসঙ্গে চিকিৎসা বাবদ খরচ ৬ থেকে বাড়িয়ে ১৫ হাজার করার দাবি করা হয়। সেইসঙ্গে সংগঠনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয় যে, অনেক প্রাক্তন বিধায়ককে বিভিন্ন কাজে বিধানসভায় আসতে হয়। কিন্তু তাঁদের বসার কোনও জায়গা নেই।

বিধানসভার অন্দরে প্রাক্তন বিধায়কদের বসার ঘর দেওয়ার দাবি জানান হয়েছে বলে জানান সংগঠনের যুগ্ম আহ্বায়ক গোবিন্দ রায়। তিনি জানান, সম্প্রতি সংগঠনের একটি কনভেনশন থেকে অন্য রাজে্যর প্রাক্তন বিধায়কদের পেনশন ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানে দেখা যায় বাংলার প্রাক্তন বিধায়করাই সবচেয়ে কম পেনশন ও অন্যান্য সুবিধা পেয়ে থাকেন। বিষয়টি অধ্যক্ষের নজরে আনা হয়েছে। বিষয়টি বিবেচনার জন্য বিধানসভার এনটাইটেলমেন্ট কমিটির কাছে পাঠান হবে বলে আশ্বাস দেন অধ্যক্ষ।

[আরও পড়ুন: নথি এবং উপযুক্ত যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি, ৪২ হাজার শিক্ষকের নথি জমা পড়ল হাই কোর্টে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.