নব্যেন্দু হাজরা: রবিবার ছুটি নয়। নতুন বছরে নতুন উদ্যোগ কলকাতা মেট্রোর। জানুয়ারি মাসে প্রতি ছুটির দিনে এবার থেকে চালানো হবে বাড়তি মেট্রো। ব্লু ও গ্রিন লাইনে বেশ কয়েক জোড়া মেট্রো চলবে বলে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। শনিবার বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে পরপর চার রবিবার অর্থাৎ ১১, ১৮ এবং ২৫ জানুয়ারি ব্লু ও গ্রিন লাইনে অন্যান্য রবিবারের তুলনায় বেশি পরিষেবা পাওয়া যাবে। যাত্রীদের সুবিধার কথা ভেবে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
ব্লু লাইন অর্থাৎ দক্ষিণেশ্বর থেকে শহিদ ক্ষুদিরাম পর্যন্ত সাধারণত রবিবার ১৩০ টি মেট্রো চলে। নতুন বছরের প্রথম রবিবার অর্থাৎ ৪ জানুয়ারি থেকে আপ ও ডাউনে ৮০ টি করে চলবে ১৬০ টি মেট্রো। তবে দুই প্রান্তিক স্টেশন দক্ষিণেশ্বর ও শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দিনের প্রথম মেট্রোর সময়সূচিতে কোনও বদল হচ্ছে না। সকাল ৯টাতেই প্রথম মেট্রো ছাড়বে। বদলাচ্ছে দিনের শেষ মেট্রোর সময়। শহিদ ক্ষুদিরাম থেকে দক্ষিণেশ্বরগামী শেষ মেট্রোটি করাত সাড়ে ৯টার বদলে ছাড়বে ৯টা ৩৩ মিনিটে। আর দমদমগামী শেষ মেট্রোর সময় ৯টা ৪৪ মিনিট। দুপুর ৩টে ২০ থেকে সন্ধ্যা ৭টা ২০ পর্যন্ত দশ মিনিটের বদলে আট মিনিটের ব্যবধানে মেট্রো পাওয়া যাবে।
অন্যদিকে, গ্রিন লাইন অর্থাৎ হাওড়া ময়দান থেকে সল্টলেক সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত রবিবারগুলিতে চলে ১০৮ টি মেট্রো। ৪ জানুয়ারি থেকে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১২৪টি। দিনের প্রথম মেট্রোর সময়সূচিতে কোনও বদল নেই। সকাল ৯টায় সেক্টর ফাইভ থেকে হাওড়া ময়দান এবং উলটোদিকে অর্থাৎ হাওড়া ময়দান থেকে সেক্টর ফাইভমুখী প্রথম মেট্রো চলবে। সিটি সেন্টার পর্যন্তও মেট্রোর সময়ে কোনও বদল নেই। দিনের শেষ মেট্রোও চলবে একই সময়ে। বিকেল চারটে থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত গ্রিন লাইনে ১৫ মিনিটের বদলে ১০ মিনিট অন্তর মিলবে মেট্রো পরিষেবা। ইয়েলো লাইন অর্থাৎ জয়হিন্দ বিমানবন্দর থেকে নোয়াপাড়া পর্যন্ত রবিবার অন্যান্য দিনের মতোই চলবে মেট্রো। অরেঞ্জ ও পার্পল লাইনে রবিবার কোনও পরিষেবা মিলবে না।
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন