Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

জাল সিমের রমরমা শহরে, যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতেও

জাল নথির বিনিময়ে বিক্রি হওয়া সিমকার্ড কি যাচ্ছে আইএসআই অথবা জঙ্গিদের হাতে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৬, ১০:৫৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৬, ১০:৫৫

options
link
জাল সিমের রমরমা শহরে, যাচ্ছে জঙ্গিদের হাতেও zoom

স্টাফ রিপোর্টার: জাল নথির বিনিময়ে বিক্রি হওয়া সিমকার্ড কি যাচ্ছে আইএসআই অথবা জঙ্গিদের হাতে? কলকাতা থেকে হাজারটি এই ধরনের সিমকার্ড উদ্ধার হওয়ার পর এই সন্দেহ গোয়েন্দা পুলিশেরই৷ কারণ, জেরার মুখে সিমকার্ড চক্রের পাণ্ডা একবালপুরের অঙ্কিত গুপ্তা গোয়েন্দা পুলিশকে জানিয়েছে যে, কোনও বৈধ পরিচয়পত্র ছাড়াই দেড়শো বা দু’শো টাকা খরচ করলেই এই সিমকার্ড হাতে পেয়ে যেত যে কেউ৷ তাই শহরে এই অবৈধ সিমকার্ডের প্রচুর চাহিদা৷ এর আগেও দেখা গিয়েছে, আইএসআই চর ও জঙ্গিরা নিজেদের পরিচয় গোপন রাখতে এই ধরনের অবৈধ সিমকার্ড ব্যবহার করে৷ তাই একবালপুর থেকে যে সিমকার্ডগুলি ইতিমধ্যেই অঙ্কিত ও তার সঙ্গীদের হাত ধরে পাচার হয়েছে, সেগুলি জঙ্গিদের হাতে পৌঁছেছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে তদন্ত৷ এদিকে, বৃহস্পতিবারই পাক চর সংস্থা আইএসআই সন্দেহে ফয়জল নামে তপসিয়ার বাসিন্দা এক যুবককে আটক করে জেরা করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা৷ দিল্লিতে ধৃত পাক চরদের সঙ্গে কলকাতার যোগ রয়েছে কি না, তা জানতে দিল্লি পুলিশের গোয়েন্দাদের সঙ্গে ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করেছেন কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দারা৷

একবালপুরের সিমকার্ড চক্রের পিছনে থাকা অন্তত আরও সাতজনের সন্ধানে তল্লাশি চালাচ্ছেন লালবাজারের সাইবার থানা ও গোয়েন্দা বিভাগের ব্যাঙ্ক জালিয়াতি দমন শাখার আধিকারিকরা৷ উল্লেখ্য, বুধবার ডায়মন্ডহারবার রোডের একটি ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় এক হাজার সিমকার্ড, ৪৫০টি আবেদনপত্র, ১ হাজার ৮০০টি জাল ভোটার কার্ড, প্রায় ওই সংখ্যারই রঙিন পাসপোর্ট ছবি, সাড়ে তিনশো জাল রবার স্ট্যাম্প৷ গ্রেফতার করা হয় একটি নামী মোবাইল সংস্থার ডিস্ট্রিবিউটার অঙ্কিত গুপ্তাকে৷ পুলিশ জানিয়েছে, সিমকার্ড চক্রের সঙ্গে জড়িত পলাতকরা মূলত একবালপুর, ওয়াটগঞ্জ, গার্ডেনরিচ এলাকার বাসিন্দা৷ এদের মধ্যে কারও ভূমিকা ছিল ছবি জোগাড় করা৷ কেউ বা জাল পরিচয়পত্র তৈরি করত৷ আবার কেউ সিমকার্ড ক্রেতাদের সরাসরি বিক্রির ব্যবস্থা করত৷ গোয়েন্দারা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, এই সিমকার্ড ক্রেতাদের একটি বড় অংশই জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত৷ এই ‘ভুয়া’ সিমকার্ড ব্যবহার করে এটিএম জালিয়াতিরা ফোন করে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে নেয় টাকা৷ আবার এই ধরনের সিমকার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের ব্যাঙ্ক জালিয়াতি করে ব্যাঙ্ক জালিয়াতরা৷ এই ভুয়া সিমকার্ডে নেট ভরে ফেসবুকে জাল অ্যাকাউন্ট খুলে বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ ঘটানোর চেষ্টা করে সাইবার অপরাধীরা৷

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.