রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: জল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিজেপিতে যোগদান করলেন বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পল৷ শনিবার ন্যাশনাল লাইব্রেরি অডিটোরিয়ামে গেরুয়া শিবিরে নাম লেখালেন তিনি৷ উত্তরীয় পরিয়ে তাকে দলে স্বাগত জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ তাঁর হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা আসানসোলের বিজেপি প্রার্থী বাবুল সুপ্রিয়৷
[প্রচারে ঝড় তুলতে এপ্রিলের শুরুতেই ব্রিগেডে সভা প্রধানমন্ত্রীর]
গত কয়েকদিন ধরেই অগ্নিমিত্রা পলের গেরুয়া শিবিরে যোগদান নিয়ে চর্চা চলছিল৷ তিনি বিজেপির টিকিটে যাদবপুর থেকে প্রার্থী হতে পারেন বলেও জল্পনা ছড়ায়৷ কিন্তু ২১ ফেব্রুয়ারি বিজেপি প্রথম পর্বের প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করলে, তাঁর নাম তাতে ছিল না৷ যাদবপুর থেকে প্রার্থী করা হয় অনুপম হাজরাকে৷ ফলে হতাশ হন একাংশের বিজেপি কর্মীরা৷ কিন্তু শনিবার তাঁদের সেই হতাশা দূর হল৷ অবশেষে গেরুয়া বসন গায়ে চড়ালেন টলিউড এবং বলিউডের খ্যাতনামা এই ফ্যাশন ডিজাইনার৷ সূত্রের খবর, পরবর্তী প্রার্থীতালিকায় নাম থাকতে পারে অগ্নিমিত্রা পলের৷ এবং গেরুয়া শিবিরের সংগঠন মজবুত এমন আসন থেকে তাঁকে টিকিট দিতে পারে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব৷
[‘পাশে আছি’, এসএসসি চাকরি প্রার্থীদের অনশন মঞ্চে বার্তা বিমান বসুর]
শনিবারই এরাজ্যের দ্বিতীয় প্রার্থীতালিকা প্রকাশ করল বিজেপি৷ জঙ্গিপুর লোকসভা কেন্দ্র বিজেপির প্রার্থী করা হয়েছে মাফুজা খাতুনকে। গতবছর সিপিএম থেকে বিজেপিতে যোগ দেন। সিপিএমের বিধায়ক ছিলেন তিনি। বর্তমানে বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য। প্রথম দফার তালিকাতে এরাজ্যের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে তেমন একটা চমক দেখায়নি গেরুয়া শিবিরের দিল্লির নেতৃত্ব৷ তবে দ্বিতীয় দফার প্রার্থীতালিকায় সেই সমস্ত চমক থাকতে পারে বলে সূত্রের খবর৷ অগ্নিমিত্রা ছাড়াও টলি অভিনেত্রী শ্রাবন্তী ও গায়ক অভিজিৎ ভট্টাচার্যর বিজেপির প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছিল৷ বিষয়টি এখনও জল্পনার স্তরেই আটকে রয়েছে৷ ইতিমধ্যে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন প্রখ্যাত অভিনেত্রী মৌসুমি চট্টোপাধ্যায়৷ জানা গিয়েছে, এরাজ্যের কোনও আসনে তাঁকেও প্রার্থী করতে পারে গেরুয়া শিবির৷ তবে সম্পূর্ণ বিষয়টাই এখন নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের উপর৷
[বুথে বুথে প্রশিক্ষিত অ্যাটেন্ড্যান্ট-সহ ‘ক্রেশ’ রাখার নির্দেশ, বিপাকে ভোটকর্তারা]
এরাজ্যের প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে এবার ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করেছে অমিত শাহরা৷ বিজেপি সূত্রে খবর, প্রতি লোকসভা কেন্দ্র এবং সেখানে কাকে প্রার্থী করা যায়, সেই সম্পর্কিত তিন ধরনের রিপোর্ট জমা পড়েছে শাহের কাছে৷ প্রথম রিপোর্টটি পাঠিয়েছেন রাজ্যের নেতারা৷ দ্বিতীয় রিপোর্টটি জমা দিয়েছে আরএসএস৷ এবং শেষ রিপোর্টটি অমিত শাহ বেসরকারি সংস্থাকে দিয়ে সমীক্ষা করিয়ে প্রস্তুত করেছেন৷ এই তিন রিপোর্ট দেখে, তা বিশ্লেষণ করেই প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে৷ ফলে টিকিট পাওয়ার ক্ষেত্রে কার ভাগ্যের শিঁকে ছিঁড়বে তা পুরোটাই নির্ভর করছে মোদি-শাহদের উপর৷
সর্বশেষ খবর
-
পালাবদলে বাড়ছে শক্তি! আরএসএস শিক্ষক সংগঠনে একধাক্কায় ৩০ হাজার সদস্যবৃদ্ধি
-
বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ার, আফগানিস্তান সিরিজ থেকে ছিটকে গেলেন বিরাট কোহলি!
-
পুলিশের জালে কলকাতার আরও এক তৃণমূল কাউন্সিলর, এবার শ্লীলতাহানির অভিযোগ
-
হোমিওপ্যাথিই শ্রেষ্ঠ! পোস্ট করে বিপাকে অনুষ্কা শর্মা, ‘অশিক্ষিত সেলেব’ বলে কটাক্ষ চিকিৎসকের
-
বঙ্গভবনে ক্ষণিকের ‘সৌজন্য সাক্ষাতে’ই বদলাল রাজ্য রাজনীতির ভাগ্য! ঋতব্রতর আড়ালে কার হাত?