Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Consumer Affairs Department

টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! নির্মাণকারী সংস্থাকে ১৩ লক্ষ ফেরাতে নির্দেশ ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের

নির্মাণকারী সংস্থাকে ৭০ দিনের মধ্যে আট শতাংশ সুদ সমেত পুরো টাকা ফেরতের নির্দেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১০:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২৫, ১০:৫৯

options
link
টাকা দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! নির্মাণকারী সংস্থাকে ১৩ লক্ষ ফেরাতে নির্দেশ ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: গড়িয়ার মজুমদার পাড়ার মান্না দম্পতি প্রায় বছর দশেক আগে ঠিক করেছিলেন একটা ফ্ল্যাট কিনবেন। বাইপাসের ধারে সদ্য কাজ শুরু হওয়া একটি নির্মীয়মাণ আবাসনে ফ্ল্যাট নেবেন বলে ঠিক করেন তাঁরা। সেই মতো ফ্ল্যাটের অগ্রিম বাবদ প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা দেন সল্টলেক সেক্টর ফাইভের এক নির্মাণকারী সংস্থাকে। তিন বছরের মধ্যে ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু অভিযোগ, নির্দিষ্ট সময় পার করে গেলেও ফ্ল্যাট পাননি ওই দম্পতি। শুধু ফ্ল্যাট পাননি তা নয়, যে প্রকল্প এলাকায় ওই ফ্ল্যাট দেওয়ার কথা ছিল, সেই প্রকল্পই হয়নি বলে অভিযোগ। সেখানে অন্য প্রকল্প শুরু হয়। এদিকে ফ্ল্যাটের বুকিং বাবদ যে টাকা তাঁরা দিয়েছিলেন তা ফেরতও দিচ্ছিল না ওই সংস্থা। এ দরজা-ও দরজা ঘুরে অবশেষে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের দ্বারস্থ হন ওই দম্পতি। মামলা করেন। অবশেষে অভিযুক্ত ওই নির্মাণকারী সংস্থাকে ৭০ দিনের মধ্যে আট শতাংশ সুদ সমেত পুরো টাকা ফেরতের নির্দেশ দিল ক্রেতা সুরক্ষা আদালত।

ক্রেতাসুরক্ষা দপ্তরসূত্রে খবর, ই এম বাইপাসের উপর গড়িয়ার কাছে ‘আনন্দ ধারা’ নামে একটি বহুতল আবাসন তৈরির কথা ছিল সল্টলেক সেক্টর ফাইভের ওই নির্মাণকারী সংস্থার। সেখানে একাধিক টাওয়ার তৈরির কথা ছিল। তার মধ্যে এক নম্বর টাওয়ারের ১০ তলায় ১৯১৫ স্কোয়ারফিটের একটি ফ্ল্যাট বুক করেছিলেন ওই দম্পতি। ৩৩৪১টাকা প্রতি স্কোয়ার ফিটের দাম ছিল।

Advertisement

গ্যারেজ সমেত ফ্ল্যাটের দাম হয়েছিল ৬৩,৯৮,০১৫ টাকা। বুকিয়ের সময় ১২,৭৯,৬০৩ টাকা তিনটি পৃথক চেকের মাধ্যমে ওই নির্মাণকারী সংস্থাকে দেন অভিযোগকারী। ঠিক ছিল, তিন বছরের মধ্যে ফ্ল্যাট হ্যান্ডওভার করবে ওই বহুতল নির্মাণকারী সংস্থা। কিন্তু তিন বছরে হয়ে গেলেও সেই ফ্ল্যাট দেওয়ার কোনও লক্ষণই ছিল না ওই সংস্থার। এরপরই ক্রেতাসুরক্ষা দপ্তরে  ২০১৮ সালে মামলা করেন ওই গড়িয়ার ওই দম্পতি। অবশেষে গত ২১ জানুয়ারি আদালত নির্দেশ দেয় ওই নির্মাণকারী সংস্থাকে আট শতাংশ সুদ সমেত ১২,৭৯,৬০৩ টাকা ফেরত দিতে হবে। তাও ৭০ দিনের মধ্যে।

ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের এক আধিকারিকের কথায়, ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে প্রতারণা করা এটা নতুন কিছু নয়। এরকম প্রায়ই অভিযোগ আসে। যতটা সম্ভব মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। না হলে আদালতে। দপ্তরের কর্তাদের কথায়, মানুষ নানাভাবে প্রতারিত হন। তখনই তাঁরা ক্রেতা সুরক্ষাদপ্তরে আসেন যাতে সুরাহা পাওয়া যায়, ক্ষতিপূরণ মেলে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.