Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১ জুলাই ২০২৬

ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে ছিনতাই, গ্রেপ্তার এমবিএ পাশ যুবক

কেন অপরাধের পথে হাটল ওই যুবক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭, ০৫:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০১৭, ০৫:০৫

options
link
ব্যাঙ্কের চাকরি ছেড়ে ছিনতাই, গ্রেপ্তার এমবিএ পাশ যুবক zoom

স্টাফ রিপোর্টার: বেশ ভাল নম্বর পেয়ে বি-কমে উত্তীর্ণ হওয়ার পর কেরল থেকে এমবিএ পাশ। বেসরকারি ব্যাঙ্কে চাকরি পাওয়া।ভদ্রস্থ বেতন পেলেও বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ফুর্তি করতেই তার অনেকটা চলে যেত। আচমকা চাকরি ছেড়ে দেওয়ার পর টাকার জোগান বন্ধ হয়ে যায়। বাবা-দাদা হাত তুলে নেওয়ার পর হাতখরচের টাকা জোগাড়ে পা। বাইকে চেপে ব্যাগ ছিনতাইয়ের উদ্দেশে বেরোনো। এই অপরাধে পুলিশের জালে সাদ্দাম কবীর (২৬)। তাকে ও তার সঙ্গী রেজ্জাক আলিকে (৩০) রবিবার পাকড়াও করে লেকটাউন থানার পুলিশ। এদিন বিধাননগর আদালতে তোলা হলে তাদের ৩ দিনের জন্য পুলিশি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

[বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জের, স্ত্রীর প্রেমিকের হাতে ‘খুন’ স্বামী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

সাদ্দামের বাড়ি কলকাতার ক্রিস্টোফার রোডে। তার বাবা কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ আধিকারিক। দাদা বেসরকারি সংস্থার উঁচু পদে রয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভাল ছাত্র ছিল সাদ্দাম। তাই তাকে বি-কম পড়তে পাঠিয়েছিলেন বাবা। সেখান থেকে ফিরে কলকাতার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে কাজ শুরু করে সে। প্রায় তিন লাখ  টাকার বাইকও সাদ্দাম কিনেছিল। টাকা রোজগারের সঙ্গে বাড়ে খরচের বহরও। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ফুর্তি করাটা নেশা হয়ে দাঁড়ায়। বছর দেড়েক ব্যাঙ্কে কাজ করার পর চাকরি ছেড়ে দেয় সাদ্দাম। প্রথম প্রথম বাবা ফুর্তির টাকা দিচ্ছিলেন। বাবা হাত তুলে নেওয়ার পর দাদার থেকে টাকা নিচ্ছিল সে। সম্প্রতি দু’জনেই টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেয়। পুলিশ সূত্রে খবর, এরপর টাকার জন্য এধরনের অপরাধের সঙ্গে সাদ্দাম জড়িয়ে পড়ে।

দিনকয়েক আগে WB01 ad 4262 নম্বর বাইকে চেপে এয়ারপোর্ট থেকে রেজ্জাককে তোলে সাদ্দাম। তারপর দু’জনে মিলে এক মহিলার হাতব্যাগ ছিনতাই করে চম্পট দেয়। এই ঘটনার অভিযোগ দায়ের হয় লেকটাউন থানায়। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এই দু’জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। শনিবার এয়ারপোর্ট থানার আটাপাড়া থেকে রেজ্জাককে ও ক্রিস্টোফার রোড থেকে সাদ্দামকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে বাইকে করে তারা ছিনতাই করতে গিয়ছিল তার মালিক সাদ্দামের দাদা।

[সল্টলেকে সাধনার নামে শ্লীলতাহানি, ধর্ষণের ‘চেষ্টা’ তান্ত্রিকের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.