দিশা ইসলাম, বিধাননগর: স্কেটিং কোচের পর এবার জিম ট্রেনারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের হল নিউটাউন থানায় ( Newtown police station)৷ নির্যাতিতা তরুণী বীরভূমের বাসিন্দা৷ তিনি নিউটাউনের একটি জিমের রিসেপশনিস্ট ৷ সেই জিমেরই ট্রেনারের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ এনেছেন ওই তরুণী৷
নিগৃহীতা তরুণীর অভিযোগ, চলতি মাসের ২৪ তারিখে জিম ট্রেনারের জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিলেন তিনি৷ সেখানে পার্টি শেষে ঘরে ফিরতে চান তরুণী৷ কিন্তু তাকে বাধা দেয় অভিযুক্ত ট্রেনার৷ জোরপূর্বক ওই রিসেপশনিস্টকে আটকে রাখার অভিযোগ ট্রেনারের বিরুদ্ধে৷ যা নিয়ে দুজনের মধ্যে শুরু হয় বাদানুবাদ৷ অভিযোগ, কথা কাটাকাটির মধ্যে ওই ট্রেনার আচমকাই তরুণীর শরীরের গোপন অংশে হাত দিতে শুরু করে৷ শুধু তাই নয়, বিষয়টি বাইরে চাউর হলে ভয়ংকর পরিণতি হবে বলে তরুণীকে শাসানোও হয়েছে৷
[আরও পড়ুন: কংগ্রেসের অনুষ্ঠানে ১০ সেকেন্ডের জন্য বন্ধ বিজয়নের মাইক! ‘ষড়যন্ত্রের’ অভিযোগে তদন্তে পুলিশ]
মঙ্গলবার রাতে সেখান থেকে কোনক্রমে ঘরে ফিরে নিউটাউন থানার পুলিশে দারস্থ হন নিগৃহিতা তরুণী৷ ঘটনার বিশদে পুলিশের কাছে দায়ের করেন অভিযোগ৷ তারই তদন্তে নেমে অভিযুক্ত জিম ট্রেনারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ৷ ধৃতের বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানি, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে৷
[আরও পড়ুন: কলকাতা পুলিশে প্রচুর নিয়োগ, মন্ত্রিসভার বৈঠকে দার্জিলিংয়ের পর্যটন নিয়েও বড় সিদ্ধান্ত]
মঙ্গলবার এই নিউটাউনেই জাতীয় স্তরের এক রোলার স্কেটিং প্লেয়ারের শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছিল কোচের বিরুদ্ধে। কোচের বিরুদ্ধে নিগৃহীতা স্কেটিং খেলোয়াড়ের অভিযোগ, ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে তিনি বিশাখাপত্তনমে ন্যাশনাল স্কেটিং চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ, ‘‘সেই সময় অভিযুক্ত কোচ ডিস্কোতে এবং লং ড্রাইভে নিয়ে যান। তারপর বেডরুমে ডেকে পাঠান। সেখানে কুপ্রস্তাব দেন।’’সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।
সর্বশেষ খবর
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে
-
‘তোমার ইমেজটাই নষ্ট করে দেব’, বচ্চনবধূ ঐশ্বর্যকে ‘হুঁশিয়ারি’ বলি পরিচালকের!
-
নজরে ‘চিকেনস নেক’, নিরাপত্তার বজ্রআঁটুনি খতিয়ে দেখতে স্বাধীনতা দিবসের পরেই শিলিগুড়িতে শাহ!
-
সমাবর্তনে প্রধান বিচারপতিকে আমন্ত্রণের বিরোধিতার ‘শাস্তি’, প্রতিবাদীরা পাবে না ‘আইনজীবী’ স্বীকৃতি!
-
ভবিষ্যতের ভুল আগেই এড়ানো সম্ভব, শৈশবেই দেওয়া হোক আর্থিক শিক্ষার পাঠ