Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

ভ্রূণ নয়, প্লাস্টিকে ছিল মেডিক্যাল বর্জ্য! হরিদেবপুর কাণ্ডে নয়া মোড়

কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বদলে গেল ঘটনার গতিপ্রকৃতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৮, ২০:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২, ২০১৮, ২০:২৬

options
link
ভ্রূণ নয়, প্লাস্টিকে ছিল মেডিক্যাল বর্জ্য! হরিদেবপুর কাণ্ডে নয়া মোড় zoom
ছবি: পিন্টু প্রধান৷

অর্ণব আইচ: হরিবেদপুর কাণ্ডে নয়া মোড়৷ ভ্রূণ সন্দেহে উদ্ধার হওয়া ১৪টি প্যাকেট থেকে কিছুই মেলেনি বলে জানালো কলকাতা পুলিশ৷ আজ, রবিবার সন্ধ্যায় এমআর বাঙুর হাসপাতালে খোলা হয় উদ্ধার হওয়ার ১৪টি প্যাকেট৷ কিন্তু, প্যাকেটে মানুষের দেহাংশের কোনও সন্ধান মেলেনি বলে জানিয়ে দিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্যাকেট থেকে কোনও ভ্রূণ জাতীয় কিছুই পাওয়া যায়নি৷ মিলেছে ‘মেডিক্যাল বর্জ্য’৷

[প্লাস্টিকে মোড়া ১৪টি ভ্রূণ উদ্ধার, হরিদেবপুরে চাঞ্চল্য]

যদিও, এর আগে ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়-সহ ডিসি সাউথ-ওয়েস্ট নীলাঞ্জন বিশ্বাস সংবাদমাধ্যমে ভ্রূণ উদ্ধার হয়েছে বলে জানান৷ প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্তার মন্তব্য সরাসরি সম্প্রচারও করতে থাকে বাংলার একাধিক প্রথম শ্রেণির বৈদ্যুতিন মাধ্যম৷ কিন্তু, সন্ধ্যা নামতেই বদলে যায় পরিস্থিতি৷ পুলিশকর্তা নিজেই সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের বার্তা পাঠিয়ে দাবি করেন, হরিদেবপুর কাণ্ডে শেষ পর্যন্ত কিছুই মেলেনি৷ তবে, এর আগে সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিদের প্রশ্নের জবাবে বারংবার নীলাঞ্জনবাবু বলতে থাকেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ছাড়া তিনি কিছুই নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না৷ ঘটনাস্থল পর্যবেক্ষণের পর তিনি তাঁর অনুমান, সাংবাদিকদের জানান৷ এদিন বিকেলে মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায় নিজে হরিদেবপুরে ১৪টি শিশুর দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানান৷

Advertisement

[টার্গেট উনিশের লোকসভা, রামনবমীর পর এবার জন্মাষ্টমী পালন গেরুয়া শিবিরের]

কিন্তু, গোটা ঘটনাটির গতি বদলে দেয় বাঙুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ৷ হাসপাতালে ভ্রূণ সন্দেহে উদ্ধার হওয়া প্যাকেটগুলি খুলতেই ঝুলি থেকে বেরিয়ে আসে বেড়াল৷ প্যাকেটে কোনও ভ্রূণ বা মানুষের দেহাংশ ছিল না বলে হাসপাতালের তরফে জানানো হয়৷  যেহেতু প্যাকেট থেকে কোনও ‘ভ্রূণ’ সন্ধান মেলেনি, ফলে তা ময়নাতদন্ত ও পুলিশি তদন্তের কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই বলেও জানানো হয়৷

কিন্তু, হঠাৎ কেন এই ‘ভোলবদল’? বিষয়টি কি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলল? ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে প্যাকেটে কী আছে তা কেন দেখলেন না পুলিশ কর্তারা? ফরেনসিক দল পাঠিয়েও কি কোনও লাভ হল? ‘মেডিক্যাল বর্জ্য’ কেন ওই পরিত্যক্ত ও পাঁচিল দিয়ে ঘেরা প্রায় ৭২ কাঠার বন্ধ জমিতে ফেলে রাখা হল? কারাই বা ফেলল? হরিদেবপুরের ঘটনায় ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে বিজেপি৷ একইসঙ্গে গোটা ঘটনাটি পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়ে রাজা রামমোহন সরণিতে বিক্ষোভ দেখান বিজেপির নেতা-কর্মীরা৷ এলাকায় দুষ্কৃতীদের ‘ডেরা’ ভাঙারও দাবি জানানো হয় বিজেপির তরফে৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.