Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ধর্ষণে অভিযুক্ত ছেলে, লজ্জায় আত্মঘাতী বাবা

ঘরের দরজা ভেঙে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৮, ১৭:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০১৮, ১৭:২৬

options
link
ধর্ষণে অভিযুক্ত ছেলে, লজ্জায় আত্মঘাতী বাবা zoom
Advertisement

সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায় ও অর্ণব আইচ: রাজনৈতিক বিশ্বাসে বামপন্থী। এলাকায় যথেষ্ট সুনাম পরিবারের। সেই পরিবারের ছেলেই কিনা বিয়ের প্রতিশ্রুতি এক তরুণীকে ধর্ষণ করেছে! এমন অভিযোগে সামাজিকভাবে অপদস্থ হতে হতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল বাবার। শেষপর্যন্ত, গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করলেন তিনি। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ শহরতলির হরিদেবপুরে।

[ শহরে ফের অটো দৌরাত্ম্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনীকে চড় চালকের]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একদিন বা দু’দিন নয়, পাঁচ বছর ধরে বিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণ করে গিয়েছে হরিদেবপুরের চক্রবর্তী বাড়ির ছেলে দেবারুণ। বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায়, তাঁর বিরুদ্ধে হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। দেবারুণ এখন বেপাত্তা। তার বাবা কাজল চক্রবর্তী তো বটেই, পরিবারের সকলেই বামপন্থী মনোভাবাপন্ন। দেবারুণ নিজেও সিপিএমের জোনাল কমিটির সদস্য। এলাকায় পরিবারটি যথেষ্ট সুনাম। ছেলের কীর্তিতে মাথা হেঁট হয়ে গিয়েছিল কাজল চক্রবর্তীর । পদে পদে রীতিমতো হেনস্তা হতে হচ্ছিল তাঁকে। বাইরে বেরোলেই নানারকম প্রশ্নের মুখে পড়তেন কাজলবাবু। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছেছিল যে, লোকলজ্জায় নিজের দোকানে যাওয়াও বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দোকান বন্ধ রাখলে তো আর সংসার চলবে না! তাই বাধ্য হয়ে ফের দোকানে যাওয়া শুরু করেছিলেন কাজল চক্রবর্তী। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, দোকান থেকে ঘরের দরজা বন্ধ করে হিসেব করার অভ্যাস ছিল কাজলবাবুর। তাই রবিবার রাতে খাওয়াদাওয়ার পর ঘরের দরজা বন্ধ দেখে স্ত্রীর সন্দেহ হয়নি। পাশের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন তিনি। কিন্তু, সোমবার সকালেও আর দরজা খোলেননি কাজল চক্রবর্তী। তাঁর স্ত্রীর চিৎকারে ছুটে আসেন পাড়া-প্রতিবেশীরা। খবর দেওয়া হয় হরিদেবপুর থানায়। ঘরের দরজা ভেঙে কাজল চক্রবর্তীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

কিন্তু কাজল চক্রবর্তীর ছেলে দেবারুণ এমন কাণ্ড ঘটাল কী করে? বছর পাঁচেক আগে এলাকায় একজন মারা যান। তখন মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিল দেবারুণ। সেই সুবাদেই ওই পরিবারের এক তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা হয় তার। বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ওই তরুণীকেই সে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ। বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় দু’জনের দূরত্ব বাড়ে। আড়াই মাস আগে দেবারুণের বিরুদ্ধে হরিদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী। থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর থেকে বেপাত্তা সিপিএম নেতা দেবারুণ চক্রবর্তী।

[ বাড়ি ভাড়া নিয়ে বচসা, ফুটন্ত ভাতের হাঁড়িতে ছুড়ে ফেলা হল একরত্তিকে]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.