মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন ব্যবহারের অভিযোগে হাসপাতালে ৫ জনকে শোকজ করল স্বাস্থ্যদপ্তর। হাসপাতালের অ্যাসিসটেন্স সুপার, অ্যাডিশনাল সুপার, স্টোর ইনচার্জ, সিস্টার ইনচার্জ ও একজন নার্সকে শোকজ করা হয়েছে। তাঁদের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছে। শুক্রবার রাতে মেদিনীপুর মেডিক্যালে পৌঁছেছে এই শোকজ নোটিস।
২০২৫-এর পর ফের স্যালাইন বিতর্কে নাম জড়ায় মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের। জানা গিয়েছে, রোগীর নাম মানসী দে। মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগরপল্লির বাসিন্দা তিনি। বৃদ্ধার ছেলে জানান, গত ৫ জুলাই কিডনি ও হার্টের সমস্যা নিয়ে মেদিনীপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁর মাকে। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে জানান, তাঁর স্ট্রোক হয়েছে। বৃদ্ধাকে স্যালাইন দেওয়া হয়। রোগীর ছেলে জানান, গতকাল বিকেল থেকে তাঁর মায়ের বুকে জ্বালা শুরু হয়। সেই সময় স্যালাইনের বোতলে চোখ যেতেই তিনি দেখেন, চলতি বছরের মার্চেই সেটির মেয়াদ ফুরিয়েছিল। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টা হাসপাতালের সুপার-সহ বিভিন্ন জায়গায় জানান তিনি। এই খবর পাওয়ার পরই তড়িঘড়ি পদক্ষেপ করে স্বাস্থ্যদপ্তর। হাসপাতালে পাঠানো হয় এক প্রতিনিধি দলকে। তাঁরা গোটা বিষয়টা নিয়ে বৈঠক করেন হাসপাতালের সুপার ও কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে। এরপর স্বাস্থ্যদপ্তরে এই ঘটনার রিপোর্ট জমা দেয় তাঁরা। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে ৫ জনকে শোকজ করে স্বাস্থ্যদপ্তর।
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, মেদিনীপুর হাসপাতালে এই ঘটনা কিন্তু প্রথম নয়। ২০২৫ সালে ৫ প্রসূতিকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে। ২ সদ্যোজাতের মৃত্যুও হয়েছিল। যদিও পরবর্তীতে পরীক্ষা করে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, স্যালাইনে কোনও সমস্যা ছিল না। এবার ফের স্যালাইন নিয়ে বিতর্কে জড়াল মেদিনীপুর মেডিক্যাল। সেই ঘটনাতেই ৫ জনকে শোকজ করল স্বাস্থ্যদপ্তর।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
বিধ্বস্ত নেপালে মৃতের সংখ্যা পাঁচশো ছুঁইছুঁই, আটকে বহু ভারতীয়, উদ্ধারকাজে বাড়ছে জটিলতা
-
‘দয়া করে দেহ দান করবেন না’, আর্জি জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন, ‘জ্যোতি বসুর দেহ কাজেই লাগেনি’
-
মহামেডানে ডামাডোল অব্যাহত, দলকে কলকাতা লিগের শীর্ষে তুলেও পদত্যাগ কোচ মেহরাজউদ্দিনের
-
ফের রণক্ষেত্র মণিপুর, স্কুলের প্রধানশিক্ষক-সহ ৫ জনের রক্তে লাল হল মাটি!
-
‘বেঁচে আছে তো?’ বেড়াতে গিয়ে বিধ্বস্ত নেপালে নিঁখোজ কলকাতার ৬! উৎকণ্ঠায় পরিবার