Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৭ আগস্ট ২০২৬
Fare Price medicine shops

গুণমান ঠিক আছে তো? এবার ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে সারপ্রাইজ ভিজিট স্বাস্থ্যদপ্তরের

নজরদারি শুরু করছে স্বাস্থ‌্যদপ্তর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ২২:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৫, ২২:১১

options
link
গুণমান ঠিক আছে তো? এবার ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে সারপ্রাইজ ভিজিট স্বাস্থ্যদপ্তরের zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে বিপুল ছাড়ে মেলা জীবনদায়ী ওষুধের গুণমান যাচাই করে দেখতে রাস্তায় নামছে ওয়েস্টবেঙ্গল ড্রাগ কন্ট্রোল। রাজ্য স্বাস্থ‌্যদপ্তরের তরফে ড্রাগ কন্ট্রোলকে জানানো হয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি হাসপাতালের ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকানে হানা দিতে হবে।

সোমবার স্বাস্থ‌্যভবনের তরফে প্রতিটি জেলার মুখ‌্য স্বাস্থ‌্য আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, রাজ্যের প্রতিটি জেলায় যত সরকারি হাসপাতাল আছে, প্রতিটি হাসপাতালের ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকানে হানা দেবে ওয়েস্ট বেঙ্গল ড্রাগ কন্ট্রোল আর স্বাস্থ‌্যদপ্তরের আধিকারিকরা।

Advertisement

সম্প্রতি মেদিনীপুরে মেডিক‌্যাল কলেজে সন্তান প্রসব করার পর অসুস্থ হয়ে পড়েন পাঁচ প্রসূতি। তদন্তে দেখা যায়, প্রসূতিদের যে স‌্যালাইন দেওয়া হয়েছিল তাতে গন্ডগোল রয়েছে। রাতারাতি নিষিদ্ধ করা হয় সেই স‌্যালাইন। সম্প্রতি বারুইপুরে একটি ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থার কারখানায় হানা দিয়েও বিস্তর গরমিল পান ওয়েস্টবেঙ্গল ড্রাগ কন্ট্রোল বিভাগের আধিকারিকরা। দেখা যায়, নিয়ম মেনে ওষুধ তৈরি হচ্ছে না। এরপরই ওই সংস্থার সতেরো রকমের ওষুধ ব‌্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। সেকথা জানিয়ে দেওয়া হয় প্রতিটি মেডিক‌্যাল কলেজের সুপারকে। একের পর এক এমন ঘটনার পরই নড়েচড়ে বসেছে স্বাস্থ‌্য ভবন। সোমবার প্রতিটি জেলার মুখ‌্য স্বাস্থ‌্য আধিকারিকের সঙ্গে ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকান নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করা হয়। সেখানে আলোচনার মূল বিষয় ছিল, ‘ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকানে যে ওষুধ বিক্রি হচ্ছে তার গুণমান কেমন?’ তা জানতেই এবার নজরদারি শুরু করছে স্বাস্থ‌্যদপ্তর।

উল্লেখ‌্য, ২০১২ সালের শেষ থেকে সরকারি হাসপাতালে ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকান খোলার কাজ শুরু হয়। এই মুহূর্তে রাজ্যের ১১৮টি ন্যায্য মূল্যের ওষুধের দোকানে গড়ে ৬৭ শতাংশ অবধি ছাড়ে ওষুধ বিক্রি করা হয়। ওই সরকারি দোকানগুলোয় ১৪২ ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়। অসংখ‌্য দরিদ্র মানুষ ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকান থেকে ওষুধ সংগ্রহ করেন।

স্বাস্থ‌্যদপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এবার থেকে প্রতিটি ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকানে গিয়ে ওষুধের ব‌্যাচ নম্বর মিলিয়ে পরীক্ষা করা হবে। যে ল‌্যাবরেটরিতে সেগুলি তৈরি হয়েছে প্রয়োজনে সেখানেও হানা দেবে ওয়েস্টবেঙ্গল ড্রাগ কন্ট্রোলের টিম। বিশেষ করে শিশু এবং প্রসূতিদের জন‌্য যে সমস্ত ওষুধ বিক্রি হচ্ছে তা খতিয়ে দেখা হবে। কোনও ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকানে মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে। স্বাস্থ‌্য ভবনের তরফে ড্রাগ কন্ট্রোলের আধিকারিকদের জানানো হয়েছে, এবার থেকে প্রতি সপ্তাহেই রাজ‌্য জু়ড়ে যত ন‌্যায‌্য মূল্যের ওষুধের দোকান আছে সেখানে ‘সারপ্রাইজ ভিজিট’ করতে হবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.