Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে কাটল জটিলতা, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হাই কোর্টের

সরকার চাইলেই শিক্ষক নিয়োগ করতে পারবে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০১৮, ১৪:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৩, ২০১৮, ১৪:১৩

options
link
রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগে কাটল জটিলতা, স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার হাই কোর্টের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জটিলতা কাটল। উচ্চ প্রাথমিক, মাধ্যমিক এবং উচ্চমাধ্যমিক স্তরে শিক্ষক নিয়োগের উপর থেকে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নিল হাই কোর্ট। এর ফলে ২০১৬-য় যে টেট পরীক্ষা হয়েছিল, সরকার চাইলে সেই পরীক্ষার ভিত্তিতে নিয়োগ করতে পারবে।

[প্রশ্ন ভুল, নতুন করে ২০১৫ টেটের মেধাতালিকা তৈরির নির্দেশ হাই কোর্টের]

২০১৬ সালে নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য টেট পরীক্ষার আয়োজন করা হয়। অংশ নিয়েছিলেন কয়েক লক্ষ পরীক্ষার্থী। যথা সময়ে ফল প্রকাশও করা হয়। কিন্তু আইনি জটিলতায় এতদিন স্তব্ধ হয়ে ছিল চাকরিপ্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়া। তবে, সেই জটিলতা কাটতে চলেছে। শুধু নবম এবং দশম শ্রেণি নয়, সমস্ত স্তরের শিক্ষক নিয়োগের উপরই স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করল কলকাতা হাই কোর্ট। ২০১৬ সালে টেট পরীক্ষার বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সময় রাজ্য সরকার বিশেষ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণ ৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেয়। সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন এক বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন পরীক্ষার্থী। তাঁর মামলার ভিত্তিতেই নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয়। এর জেরেই দীর্ঘদিন আটকে ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। সোমবার সেই স্থগিতাদেশ তুলে দেওয়া হল। তবে, কোনও কোনও নিয়োগ প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে কিছু ব্যক্তিগত মামলার শুনানি আদালতে এখনও চলছে। সেই সব ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যতজন আবেদনকারী আছেন ততগুলি আসন ফাঁকা রাখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[রাজ্যে কমছে স্কুলছুটের সংখ্যা, বিধানসভায় জানালেন শিক্ষামন্ত্রী]

গত ১৯ নভেম্বরই রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ না হওয়ার জন্য আদালতে ঝুলে থাকা মামলাকে দায়ী করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি জানিয়েছিলেন, সরকারের সদিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক নিয়োগ করা যাচ্ছে না বিরোধীদের জন্য। সরকার নিয়োগ করতে চাইলে তা আটকে যাচ্ছে আদালতে গিয়ে। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “শিক্ষক নিয়োগ অবশ্যই হবে, কিন্তু সবাই তো এখন কোর্টমুখী, ভুল হলে আসুন, কথা বলুন, আলাপ-আলোচনা করুন। সেটা না করে তো সবাই আদালতে চলে যাচ্ছেন, সব তাই আটকে পড়ছে। অবশেষে আদালতের গেরো কাটল। এবার সরকারের সদিচ্ছার পরীক্ষা হবে, বলছে বিরোধীরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.