Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Abhishek Banerjee

সই কাণ্ডে এখনই স্বস্তি নয় অভিষেকের! হাই কোর্টে খারিজ দ্রুত শুনানির আবেদন

একদিকে দল ভেঙে চুরমার, তারপর তদন্তকারী সংস্থার সাঁড়াশি আক্রমণে অভিষেক জেরবার।

Advertisement
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৬:৪৫

link
গোবিন্দ রায়
গোবিন্দ রায়

শেষ আপডেট: জুন ৫, ২০২৬, ১৬:৪৫

options
link
সই কাণ্ডে এখনই স্বস্তি নয় অভিষেকের! হাই কোর্টে খারিজ দ্রুত শুনানির আবেদন zoom
সই কাণ্ডে এখনই স্বস্তি নয় অভিষেকের! হাই কোর্টে খারিজ দ্রুত শুনানির আবেদন

সই কাণ্ডে এখনই স্বস্তি পাচ্ছেন না তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। সিআইডি নোটিসকে চ্যালেঞ্জ করে করা মামলার দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি চৈতালী চট্টোপাধ্যায় দাস। আদালত সূত্রে খবর, শুনানি হবে ১০ জুনই। 

সই কাণ্ডের সূত্রপাত ভোটের ফল ঘোষণার পর। গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) নাম প্রস্তাব করা হয়। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলে হাত তুলে শোভনদেবকে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়, তা দেয়নি তৃণমূল। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটের বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন কেউ ছিলেন, কেউ ছিলেন না। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। মিলিয়ে দেখা হয় ক’জন গরহাজির। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। আর এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় জালিয়াতি সন্দেহ হয় সচিবের। তিনি থানায় এফআইআর করেন। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। এই সই জাল কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের সেকেন্ড ইন কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তদন্তে নেমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিআইডি। কিন্তু অসুস্থকার কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়িয়ে যান। চিঠি পাঠিয়ে ১৫ দিন সময়ও চান।

Advertisement

এরপরই গত বুধবার সিআইডি নোটিস চ্যালেঞ্জ করে আদালতের দ্বারস্থ হন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সিআইডি যাতে এই তদন্তে তাঁকে গ্রেপ্তার না করে, সেই রক্ষাকবচ চেয়ে আবেদন জানানো হয়। দ্রুত শুনানির আর্জিও জানিয়েছিলেন। কিন্তু দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করে দিলেন বিচারপতি বিচারপতি চৈতালী চট্টোপাধ্যায় দাস। এদিকে হাজিরা না দেওয়ার পরই সিআইডির তরফে ফের নোটিস দেওয়া হয় অভিষেককে। পরবর্তীতে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডিও নোটিস ধরিয়েছে তাঁকে। একদিকে দল ভেঙে চুরমার, তারপর তদন্তকারী সংস্থার সাঁড়াশি আক্রমণে অভিষেক যে জেরবার, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.