Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Kolkata

নারকেলডাঙায় স্ত্রীকে খুন, পুলিশে মিথ্যা বয়ান! ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসতেই গ্রেপ্তার স্বামী

মৃত তরুণীর নাম প্রীতম কুমারী। বয়স ২২ বছর। তিনি বিহারের নালন্দা জেলার বাসিন্দা ছিলেন। ২০২২ সালের গণেশ দাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। থাকছিলেন নারকেলডাঙা থানা এলাকায়।

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৯:০৩

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৬, ২০২৬, ১৯:০৩

options
link
নারকেলডাঙায় স্ত্রীকে খুন, পুলিশে মিথ্যা বয়ান! ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসতেই গ্রেপ্তার স্বামী zoom
প্রোমোটারকে মারধরের অভিযোগ, এবার পুলিশের জালে দেবরাজ চক্রবর্তীর ছায়াসঙ্গী

নারকেলডাঙায় স্ত্রীকে কার্বলিক অ্যাসিড খাইয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। বিনা নিমন্ত্রণে বন্ধুর বিয়ের অনুষ্ঠানে যেতে চাওয়ায় স্ত্রীকে খুন বলে অনুমান পুলিশের। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনার তদন্ত চলছে।

মৃত তরুণীর নাম প্রীতম কুমারী। বয়স ২২ বছর। তিনি বিহারের নালন্দা জেলার বাসিন্দা ছিলেন। ২০২২ সালে গণেশ দাসের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। থাকছিলেন নারকেলডাঙা থানা এলাকায়। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর অ্যাসিডে ক্ষতবিক্ষত তরুণীকে নীলরতন মেডিক্যাল হাসপাতালে ভর্তি করেন তাঁর স্বামী গণেশ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পুলিশে খবর দেয়।

Advertisement

পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে ধৃত গণেশ পুলিশকে জানান, ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ গণেশের এক সহকর্মীর বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল। সেখানে গণেশকে নিমন্ত্রণ করা হলেও, তাঁর স্ত্রীকে ডাকা হয়নি। কিন্তু প্রীতম অনুষ্ঠানে যাওয়ার জন্য জোরাজুরি করতে থাকেন। গণেশ তাঁকে নিয়েও যান। এরপর ১৭ তারিখ ওই বন্ধুরই বৌভাত অনুষ্ঠানেও যাওয়ার জন্য জোর করতে থাকেন প্রীতম। তা নিয়ে স্বামী স্ত্রীর বচসা বাঁধে। গণেশ জানিয়েছেন সেই রাতেই একটি মোবাইল ফোনের জন্য আবদার করতে থাকেন তাঁর স্ত্রী। তিনি অপেক্ষা করতে বলেন।

গণেশের দাবি, সেই রাতেই প্রীতম কার্বলিক খেয়ে নেন। তারপরই তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, তরুণীর বয়ান নথিভুক্ত করার চেষ্টা করা হলেও তাঁর শারীরিক অবস্থার জন্য তা নথিভুক্ত করা সম্ভব হয়নি। এদিকে তরুণীর অবস্থার অবনতি ঘটলে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই ৩০ ডিসেম্বর নীলরতন হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। প্রীতম চিকিৎসাধীন থাকাকালীন তাঁর বাবা বিহার থেকে এসেছিলেন। মৃত্যুর খবর পেয়েও এসেছিলেন। কিন্তু কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।

তরুণীর মৃত্যুর পর দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়। ১৫ তারিখ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সংগ্রহ করেন তদন্তকারী অফিসার। তরুণীর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক তাঁর মতামতে জানিয়েছেন, অ্যাসিড জাতীয় কোনও পদার্থে তরুণীর বিভিন্ন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি হয়। শুধু আভ্যন্তরীণ অঙ্গ নয়, ত্বক ও বাহ্যিক অঙ্গও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চিকিৎসকের আরও মত, জোর করে অ্যাসিড জাতীয় পদার্থ মৃতাকে খাওয়ানো হয়েছিল। এই রিপোর্ট পাওয়ার পরই ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১২৪(১) ধারা অর্থাৎ ইচ্ছাকৃতভাবে অ্যাসিড জাতীয় পদার্থ নিক্ষেপের মতো অপরাধ ও ১০৩(১) ধারা অর্থাৎ খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেপ্তার করা হয়েছে মৃতার স্বামী গণেশ দাসকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.