Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
I-PAC ED Raid

আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও

আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থাটির সল্টলেকের অফিসে ইডির হানায় তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি!

Advertisement
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৩:৩৪

link
অর্ণব আইচ
অর্ণব আইচ

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১২, ২০২৬, ১৩:৩৪

options
link
আইপ্যাক অভিযানে কারা? পরিচয় জানতে ইডিকে চিঠি দিচ্ছে লালবাজার, শুরু CRPF-দের শনাক্তকরণও zoom
ফাইল ছবি।

আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং সংস্থাটির সল্টলেকের অফিসে ইডির হানায় (I-PAC ED Raid) তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি! মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়ি এবং অফিস থেকে নথি চুরিতে ‘অভিযুক্ত’ ইডি আধিকারিকদের শনাক্তকরণের কাজ শুরু করেছে কলকাতা পুলিশ। এই বিষয়ে আরও তথ্য পেতে এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটককে চিঠি পাঠাতে চলেছে কলকাতা পুলিশ। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যে জানতে পেরেছেন বৃহস্পতিবার প্রতীকের বাড়িতে চলা অভিযান ইডির অ‍্যাসিস্ট‍্যান্ট ডিরেক্টরের নেতৃত্বে হয়েছিল। ছিলেন অ‍্যাসিস্ট‍্যান্ট অফিসার পদমর্যাদার অফিসাররাও। কিন্তু তাঁরা কারা? তা জানতে চেয়েই ই-মেইল মারফৎ ওই চিঠি পাঠাতে চলেছে কলকাতা পুলিশ।

শুধু ইডি আধিকারিকদের পরিচয়ই নয়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ছয় সিআরপিএফের পরিচয়ও জানার চেষ্টা চালাচ্ছে লালবাজার। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন আইপ্যাক কর্তার বাড়িতে অভিযানে আসা ইডির অফিসারদের নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন ৬ জন সিআরপিএফ। তাঁদের পরিচয় জানতে সিআরপিএফের পূর্বাঞ্চলীয় দফতরে ই-মেল করবে পুলিশ। ঘটনার তদন্তে শনিবার প্রতীক জৈনের বাড়িতে যান কলকাতা পুলিশের তদন্তকারী আধিকারিকরা। বাড়ির যাবতীয় সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ এবং ডিভিআর সংগ্রহ করা হয়েছে। একইসঙ্গে প্রতীক জৈনের বাড়ির পরিচারিকা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীদেরও বয়ান রেকর্ড করা হয়েছে বলে খবর। শুধু তাই নয়, বাড়ির সিকিউরিটি রেজিস্টারও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে খবর।

Advertisement

জানা গিয়েছে, অভিযানের দিন ইডি আধিকারিকরা রেজিস্টার বুকে কি নাম লিখেছিলেন, আদৌও লিখেছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রয়োজনে প্রতীক জৈন, তাঁর স্ত্রী এবং মায়ের সঙ্গেও কথা বলবে লালবাজার। এমনটাই সূত্রে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে আবাসনের ফেসিলিটি ম্যানেজারকেও তলব করেছে লালবাজার। অন্যদিকে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, বৃহস্পতিবার অভিযান দিন, সকাল ৬ টা ২০ মিনিটে প্রতীকের বাড়ির ভিতরে ঢুকেছিলেন ইডি আধিকারিকরা। বেরিয়েছন দুপুর ২ টো বেজে ৫০ মিনিটে। যদিও তদন্ত চলাকালীন সেখানে পৌঁছে যান পুলিশ আধিকারিকরাও।

লালবাজারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রতীক জৈনের বাড়িতে পুলিশ আধিকারিকরা পৌঁছান ১১টা ১৫ মিনিট থেকে ১১ টা ২০ নাগাদ। পুলিশ আসার আগে এবং পরের ঘটনাক্রম প্রাপ্ত ফুটেজ থেকে পরীক্ষা করছে পুলিশ। আর তা করতে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা ছাড়াও দেখা হচ্ছে পুলিশের বড়ি ক‍্যামেরার ফুটেজও। যে সকল পুলিশ কর্মী ওই দিন প্রতীকের বাড়িতে পৌঁছেছিলেন, তাদের কয়েকজনের উর্দির সঙ্গে বডি ক‍্যাম লাগানো ছিল। মুহূর্তের একাধিক ফুটেজ সেই বডি ক‍্যামে ধরা পড়েছে বলে খবর। সেই সমস্ত ফুটেজগুলিও গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

বলে রাখা প্রয়োজন, বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইপ্যাক কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়িতে হানা দেন ইডির আধিকারিকরা। খবর পেয়েই সেখানে পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ অনুযায়ী, তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচন সংক্রান্ত দলীয় নথি ও বৈদ্যুতিন নথি ছিল লাউডন স্ট্রিটের বহুতল অভিজাত আবাসন অর্থাৎ প্রতীক জৈনের বাড়ি ও সেক্টর ফাইভে আইপ‌্যাকের দপ্তরে। সেগুলি চুরি করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন। এরপরেই শেক্সপিয়র সরণি থানা ও বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় ইডির বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ জানান মুখ্যমন্ত্রী। অভিযোগের ভিত্তিতে শেক্সপিয়র সরণি থানা ও বিধাননগরের ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানার পুলিশ তৃণমূলের নির্বাচন সংক্রান্ত তথ্য ও নথি চুরির তদন্ত শুরু করেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.