Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৬ জুন ২০২৬
IEM-UEM Group

প্রয়াত আইইএম-ইউইএম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সত্যজিৎ চক্রবর্তী

১৯৮৯ সালে তাঁর হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয় আইইএম-ইউইএম গ্রুপ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৪, ২০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০২৪, ২০:৩৬

options
link
প্রয়াত আইইএম-ইউইএম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা সত্যজিৎ চক্রবর্তী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত আইইএম-ইউইএম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও চ্যান্সেলার ড. সত্যজিৎ চক্রবর্তী। বয়স হয়েছিল ৭৭। গোষ্ঠীর তরফে তাঁর মৃত্যুসংবাদ জানিয়ে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন তিনি।

১৯৪৭ সালে জন্ম সত্যজিতের। দুর্গাপুরের রিজিওনাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ (অধুনা এনআইটি) থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিটেক করার পর খড়গপুর আইআইটি থেকে এমটেক পাশ করেন তিনি। এরপর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ওই শাখাতেই পিএইচডি সম্পন্ন করার পর বিদেশে পাড়ি। আমেরিকার মিসৌরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেন সত্যজিৎ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কর্মজীবনের সূচনাও বিদেশেই। এর মধ্যে ১৯৮৪ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ব্রিটিশ আমেরিকা ইনভেস্টরস কর্পোরেশনে ভাইস প্রেসিডেন্ট পদ অলঙ্কৃত করা তাঁকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে। এরপর ১৯৯৪ সালেই তিনি দেশে ফেরেন। কলকাতায় আইইএমে ডিরেক্টরের পদে ছিলেন ২০১১ সাল পর্যন্ত। এর মধ্যেই ১৯৯৭ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষা পর্ষদের সদস্যও ছিলেন সত্যজিৎ। কোল ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং ভাইজ্যাগ পোর্ট ট্রাস্টের উপদেষ্টার পদও সামলেছেন সেই সঙ্গে।

১৯৮৯ সালে তাঁর হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয় আইইএম-ইউইএম গ্রুপ। তাঁর নেতৃত্বেই ওই গোষ্ঠী কারিগরি শিক্ষায় দুর্দান্ত মান স্থাপন করে। এই প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরেই উদ্ভাবন এবং শ্রেষ্ঠ মেধাদের উত্সাহিত করে আসছে। শিক্ষার প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতা থেকেই সত্যজিৎ স্থাপন করেন ‘ইউনিভার্সিটি অফ ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট’। কলকাতার পাশাপাশি জয়পুরেও রয়েছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। গবেষক হিসেবেও লব্ধপ্রতিষ্ঠ সত্যজিৎ মেশিন টুলস থেকে, বিমান, রোবোটিক্স বিবিধ শাখায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। যার ফলে ১৯৯৯ সালে আইইটিই স্বর্ণপদক পান তিনি।

সত্যজিতের প্রয়াণে আইইএম-ইউইএম গ্রুপের তরফে গভীর শোকপ্রকাশ করা হয়েছে তাঁর পরিবার, সহকর্মী, ছাত্রছাত্রী এবং যাঁরা তাঁর প্রজ্ঞা এবং দয়ার সংস্পর্শে ধন্য হয়েছেন সকলের প্রতি। তাঁর প্রয়াণে এক গভীর শূন্যতার সৃষ্টি হল বলেই জানানো হয়েছে ওই গোষ্ঠীর তরফে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.