Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাওড়া স্টেশনে ভাঙা হল সমস্ত স্টল, উত্তেজনার পাশাপাশি বেকারিত্বর ক্ষোভ

১৯৫৭ সালের লালবাহাদুর শাস্ত্রীর উদ্যোগের যবনিকা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮, ২১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৮, ২১:০১

options
link
হাওড়া স্টেশনে ভাঙা হল সমস্ত স্টল, উত্তেজনার পাশাপাশি বেকারিত্বর ক্ষোভ zoom
Advertisement

সুব্রত বিশ্বাস: ‘কাজের সময় কাজি, কাজ ফুরোলেই পাজি’। এই প্রবাদকে প্রধান্য দিয়েই হাওড়া স্টেশন থেকে রেলের সব ভেন্ডরকে উচ্ছেদ করল রেল। ভেঙে দেওয়া হল স্টলগুলি।

[উচ্ছেদের ধাক্কা সামলে হাওড়া স্টেশনে পানীয় জলের চাহিদা মেটাবে ভেন্ডিং মেশিন]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

জনবহুল স্টেশন থেকে ৯২টি স্টল ভেঙে দেওয়ায় কার্যত পথে বসল পাঁচশো পরিবার। রেল জানিয়েছে, মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার পরও স্টলগুলি চলছিল। রেল এভাবে স্টল না চালাতে চাওয়ায় এই পদক্ষেপ। ভেন্ডর চন্দ্রশেখর জানার কথায়, একদিন এঁটো কাপ ধোওয়ার লোক ছিল না। তখন আমরাই ছিলাম। আজ পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থায় আমরা অপাংক্তেয়। রেল জোর করে অনাহারের দিকে ঠেলে দিল এতগুলি পরিবারকে। শনিবার তৃতীয় দফায় হাওড়া স্টেশন থেকে সব স্টল উচ্ছেদ করল রেল।  শনিবার সকাল থেকে এই উচ্ছেদ ঘিরে টানটান উত্তেজনার পাশাপাশি ছিল বেকারিত্ব হওয়া দুঃখ, সঙ্গে কান্নাও। এদিন রেলের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান গণেশ সিং স্টলগুলি তড়িঘড়ি না ভাঙার আবেদনও জানান রেল বোর্ডের কাছে। সব আবেদন অগ্রাহ্য করে ভেঙে দেওয়া হল স্টলগুলি। চা-বিস্কুট ও পানীয় জলের চরম সংকট দেখা দেয় এদিন। পানীয় জলের সংকট রুখতে হাওড়া স্টেশনে চারটি জলের ভেন্ডিং মেশিন বসানো হয় শুক্রবার। আরও চারটি বসানো হবে শিগগির। তবে এই সংখ্যার মেশিন দৈনিক ১৫ লক্ষ যাত্রীর পক্ষে যথেষ্ট নয় বলে দাবি যাত্রীদের। খাবারের চাহিদা মেটাবে ফুড প্লাজা ও জনাহারের মতো রেস্তরাঁগুলি। ফলে দৈনিক ১০ লক্ষ টাকার খাবার বিক্রি করলেও স্টলগুলির দরকার নেই রেলের কাছে।

হাওড়া.jpg2

[গল্প হলেও সত্যি, ২৪ ঘণ্টায় অপরাধের কিনারা করল কলকাতা পুলিশ]

১৯৫৭ সালে ঠিকাদার বলত দাশের কাছ থেকে রেল ক্যাটারিং অধিগ্রহণ করে। তৎকালীন রেলমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ক্যাটারিংকে লোক কল্যাণ সংস্থা হিসাবে গ্রহণ করে ‘নো প্রফিট নো লস’ ভিত্তিতে ক্যাটারিং-এর অর্ধেক কর্মীকে বেতনের আওতায় এনে ক্যাটারিং রুমের কাজে লাগান, বাকি অর্ধেককে কমিশন দিয়ে চা ফেরি করা, লুচি বিক্রির কাজে লাগান। এই রেওয়াজে ধাক্কা পড়ে ১৯৯৩ সালে। ভেন্ডরদের মৃত্যুর পর আগে তাঁদের পোষ্যরা দায়িত্ব পেতেন। তখন রেল জানায়, স্থায়ী চাকরিতে যাঁরা যেতে চান, তাঁরা সুযোগ পাবেন। কমবয়সী কেউ-কেউ চলে গেলেও বয়স্করা থেকে যান কমিশন ভেন্ডরের আওতায়। ২০০৩ সালে আইআরসিটিসি রেলের ক্যাটারিং-এর দায়িত্ব নেওয়ার পর পুরো ক্যাটারিংয়ের সঙ্গে যুক্তরা স্থানান্তরিত হয় সংশ্লিষ্ট সংস্থায়। এর পর ক্যাটারিংয়ের কর্মীরা আইআরসিটিসি ছেড়ে রেলে ফিরে গেলেও স্টলগুলি থেকে যায় আইআরসিটির কমিশনের আওতায়। রেল স্টেশনে কমিশন ভেন্ডর আর না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। এজন্য ভেন্ডরদের চতুর্থ শ্রেণির কর্মীতে নিতে চেয়েছিল। অনেকেই যাননি। তাঁরাই বঞ্চিত হলেন। তবে প্রত্যেকের বয়স ষাটোর্ধ্ব। তাই কিছু করার নেই বলে স্পষ্ট করা হয়েছে আইআরসিটিসির তরফে।

[ভাত না রাবারের বল, চাল সিদ্ধর পর অদ্ভুত রূপে অবাক ক্রেতারা]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.