অর্ণব আইচ: পেশায় তিনি ছিলেন ব্যাংক আধিকারিক। তাঁর হাতেই ছিল ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা। সেই সুযোগ নিয়ে ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলে একের পর এক ‘জাল’ ঋণ নিয়েছিলেন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মহিলা আধিকারিক। পরবর্তীকালে দেখা যায়, এভাবে ব্যাংককে প্রতারণা করা হয়েছে কয়েক লাখ টাকা। ইতিমধ্যেই ওই প্রাক্তন মহিলা আধিকারিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের ম্যানেজার।
[দুষ্কৃতী হানা, প্রাণের বিনিময়ে প্রভুর সম্পত্তি রক্ষা তিন সারমেয়র]
অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে ফুলবাগান থানায়। পুলিশ জানিয়েছে, নারকেলডাঙা শাখার ওই ব্যাংক ম্যানেজার অভিযোগ জানিয়েছেন, ওই মহিলা ২০০৬ সাল থেকে ওই ব্যাংকের নারকেলডাঙা শাখার রিলেশনশিপ ম্যানেজার ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, প্রাক্তন ওই মহিলা ব্যাংককর্তা বেশ কয়েকটি ভুয়া লোন অ্যাকাউন্ট খোলেন। এই বিষয়ে তিনি অন্য কোনও ব্যাংক আধিকারিকের সাহায্যও নেননি। এভাবে তিনি ২০০৮ পর্যন্ত ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খোলেন। তিনি নিজের ক্ষমতায় ভুয়ো নাম বা গ্রাহকের নাম দিয়ে ব্যাংক থেকে ঋণের টাকা নেন। ব্যাংকও ঋণ প্রদান করে। সেই টাকা ওই মহিলা আধিকারিকই হস্তগত করেন বলে অভিযোগ।
[বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসবে শরিক হতে শহরের দুর্গাপুজোর স্পনসর এবার চিন]
জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে তিন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করেছেন অভিযুক্ত প্রাক্তন মহিলা ব্যাংক আধিকারিক। ওই ব্যক্তিদের আসল পরিচয় জানা যায়নি। এমনকী, তাঁদের কোনও অস্তিত্ব রয়েছে কি না, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। ঋণের টাকা ব্যাংক ফেরত পায়নি। ঋণগ্রহণকারীদের যে ঠিকানাগুলি দেওয়া হয়েছিল, সেই ঠিকানায় কাউকে না পেয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হয়। ব্যাংক কর্তাদের অভিযোগ, ভুয়া নাম দিয়েই অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। পরে ওই মহিলা আধিকারিক নিজের অ্যাকাউন্টে টাকা ট্রান্সফার করেন। পুলিশ এই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে। ওই অ্যাকাউন্টগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই মহিলা ব্যাংক কর্তাকেও জেরার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। পুরো ঘটনাটির তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
ভিক্ষার আড়ালে দুষ্টচক্র! ট্রেনের মধ্যে ভিক্ষুক রুখতে মোটা জরিমানার সিদ্ধান্ত সরকারের
-
কী কারণে আচমকা বন্ধ ৩ অ্যাকাউন্ট? প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাই কোর্টে ‘কালীঘাট তৃণমূল’
-
সরকারি চাকরিতে ১ লক্ষ নিয়োগ, ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ! বেতন বাড়ছে সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশের
-
আলোচনা ‘বানচাল’ হলেও ৬০ দিনের রোডম্যাপ তৈরি, কী উঠে এল ইরান-আমেরিকার বৈঠকে?
-
সমস্ত সামাজিক প্রকল্প অব্যাহত, দরিদ্রদের হাত শক্ত করাই লক্ষ্য, বাজেটে ঘোষণা অর্থমন্ত্রী স্বপনের