১৪ মাঘ  ১৪২৮  শুক্রবার ২৮ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

স্কুলে শিক্ষকের পরিবর্তে ‘ইন্টার্ন’ নিয়োগ, ঘাটতি কমাতে নয়া ভাবনা মুখ্যমন্ত্রীর

Published by: Tanujit Das |    Posted: January 14, 2019 7:27 pm|    Updated: January 14, 2019 10:14 pm

Internship in schools, announces Mamata

দীপঙ্কর মণ্ডল: রাজ্যের শিক্ষক ঘাটতি মেটাতে নয়া উদ্যোগ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের৷ স্নাতক-স্নাতকোত্তর পাশ ছাত্র-ছাত্রীদের রাজ্যের বিভিন্ন প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টার্ন বা শিক্ষানবিশ হিসাবে নিয়োগের ভাবনা রাজ্য সরকারের৷ সোমবার নবান্নে এই পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী৷ তিনি জানান, ইন্টার্নশিপের জন্য মাসিক পারিশ্রমিক পাবেন চাকরিপ্রার্থীরা৷ প্রশিক্ষণ শেষে দেওয়া হবে বিশেষ সার্টিফিকেট৷ যা পরবর্তী কালে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় কাজে লাগবে তাদের৷

[২৪ সপ্তাহে গর্ভপাতের অনুমতি, ঐতিহাসিক রায় কলকাতা হাই কোর্টের ]

এদিন, নবান্নে রাজ্যের ৩০টি বিশ্বদ্যালয়ের উপাচার্য ও বহু কলেজের অধ্যক্ষদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মুখ্যসচিব, স্কুলশিক্ষা সচিব, উচ্চশিক্ষা সচিব-সহ নবান্নের শীর্ষ কর্তারা৷ বৈঠক শেষে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, স্নাতক-স্নাতকোত্তর পাশ ছাত্র-ছাত্রীদের এই পদে নিয়োগ করা হবে৷ এতে তাঁদের একটা প্রশিক্ষণ নেওয়া থাকবে এবং স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের সময় তাঁরা অনেকটা সুবিধা পাবেন৷ স্নাতক পড়ুয়াদের প্রাথমিকে এবং স্নাতকোত্তর পড়ুয়াদের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে দু’বছর ধরে ইন্টার্নশিপ করানোর ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে৷ মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, পঞ্চম শ্রেণীকে প্রাথমিকের আওতায় আনার পরিকল্পনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার৷

[দু’শো মানুষের দেহে কৃত্রিম হাড়, নতুন ইতিহাস বাঙালি চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের]

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষা দপ্তরের একাধিক সাফল্য তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ তিনি জানান, রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে৷ ছাত্রীর সংখ্যা বেড়েছে ৭২ শতাংশ৷ কমেছে স্কুলছুটদের সংখ্যা৷ কন্যাশ্রী প্রকল্পের কারণেই এই সাফল্য এসেছে বলে দাবি করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, রাজ্যে ২৮টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করেছে সরকার৷ ১০টি কলেজ তৈরি হয়েছে৷ তৈরি হয়েছে দু’টি হিন্দি কলেজ৷ তৈরি হবে আরও বেশ কয়েকটি হিন্দি, উর্দু-সহ অন্যান্য ভাষার কলেজ৷ পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের পিএইচডি স্কলারদের টাকা দেওয়া হচ্ছে না৷ টাকা পাঠাচ্ছে না উইজিসি৷

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে