Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Iran-Israel War

অগ্রাধিকার রান্নাঘর-মিড ডে মিলে, হোটেল-রেস্তরাঁয় গ্যাস সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, ১০ দফা নির্দেশিকা রাজ্যের

যুদ্ধ আবহে গ্যাস সংকট কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী আগেই বিশেষ নির্দেশিকা তৈরির ঘোষণা করেছিলেন। এবার সমাধানের জন্য নবান্নে ২৪ ঘণ্টার কন্ট্রোল রুম খোলা হল।

Advertisement
মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৬:০৫

link
মলয় কুণ্ডু
মলয় কুণ্ডু

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১৬:০৫

options
link
অগ্রাধিকার রান্নাঘর-মিড ডে মিলে, হোটেল-রেস্তরাঁয় গ্যাস সরবরাহ নিয়ন্ত্রণ, ১০ দফা নির্দেশিকা রাজ্যের zoom
গ্যাস সংকট মেটাতে ১০ দফা নির্দেশিকা জারি নবান্নের।

মধ্যপ্রাচ্যে ধুন্ধুমার যুদ্ধের (Iran-Israel War) কারণে জ্বালানি তেলের সংকট দেখা দিয়েছে গোটা বিশ্বজুড়ে। ভারতেও তার খানিকটা আঁচ পড়েছে। এই অবস্থায় গ্যাস সরবরাহ নিয়ে চিন্তিত সকলে। গ্যাস সরবরাহ কেন্দ্রগুলিতে জোগানে টান পড়ছে। আতঙ্কের জেরে অতিরিক্ত গ্যাস সিলিন্ডার মজুতের প্রবণতা দেখা দিয়েছে। কেউ আবার অভাবের আশঙ্কায় বাড়তি দাম দিয়েই কিনছেন এলপিজি। মুহূর্তের মধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে কালোবাজারি। আর তা রুখে আমজনতার আতঙ্ক কাটাতে গোড়া থেকে বড়সড় উদ্যোগ নিল রাজ্য সরকার।

বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১০ দফা পরামর্শ দিয়ে তৈরি হল এসওপি বা বিশেষ নির্দেশিকা। তাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে গৃহস্থের রান্নাঘর, মিড ডে মিল, হাসপাতালে পরিষেবাকে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হোটেল, রেস্তরাঁয় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহের ক্ষেত্রে রাশ টানা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ১০ দফা পরামর্শ দিয়ে তৈরি হল এসওপি বা বিশেষ নির্দেশিকা। তাতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে গৃহস্থের রান্নাঘর, মিড ডে মিল, হাসপাতালে পরিষেবাকে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হোটেল, রেস্তরাঁয় বাণিজ্যিক গ্যাস সিলিন্ডার সরবরাহের ক্ষেত্রে রাশ টানা হয়েছে। তৈরি করা হয়েছে একটি নজরদারি কমিটিও। খোলা হয়েছে ২৪ ঘণ্টা হেল্পলাইন নম্বর। কোনও সমস্যায় পড়লে নিচের নম্বরগুলিতে ফোন করতে পারবেন –

Advertisement

হেল্প লাইন নং ১০৭০

ল্যান্ড ফোন নং ০৩৩-২২১৪ ৩৫২৬

মোবাইল নং ৮৬৯৭৯৮১০৭০

এছাড়া পুলিশের তরফেও বেশ কিছু নম্বর চালু করা হয়েছে। এলপিজি সরবরাহ নিয়ে সমস্যায় পড়লে ফোন করতে পারেন –

০৩৩-৪৯৫০৬১০১, ০৩৩-৩৫০২৬২১৪, ০৩৩-২৪৮৭৪৪০০

বুধবার রাজ্যের বিভিন্ন তেল সংস্থা ও গ্যাস ডিলারদের সঙ্গে জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বলেছিলেন, সকলের সঙ্গে সমন্বয় রেখে একটা নির্দেশিকা তৈরি হবে। অযথা যাতে গ্যাস সংকটের (LPG Crisis) মতো পরিস্থিতি না হয়, সেদিকে কড়া নজর থাকবে সরকারের। সরবরাহকারী সংস্থাগুলিকেও একাধিক অনুরোধ করেছিলেন তিনি। এরপর বৃহস্পতিবারই সেই নির্দেশিকা জারি করা হল। গ্যাস সংকট মেটাতে ১২ জনের নজরদারি কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, সবচেয়ে আগে গ্যাস সরবরাহ করতে হবে গৃহস্থের ঘরে ঘরে। এছাড়া হাসপাতাল, স্কুলে স্কুলে মিড ডে মিল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং পড়ুয়াদের হস্টেলগুলিতেও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করা হবে। সেক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ রাখা হবে হোটেল-রেস্তরাঁগুলিতে গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে। ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো সংস্থাকে সিলিন্ডার সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, সবচেয়ে আগে গ্যাস সরবরাহ করতে হবে গৃহস্থের ঘরে ঘরে। এছাড়া হাসপাতাল, স্কুলে স্কুলে মিড ডে মিল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র এবং পড়ুয়াদের হস্টেলগুলিতেও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে গ্যাস সরবরাহ করা হবে। সেক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ রাখা হবে হোটেল-রেস্তরাঁগুলিতে গ্যাস সিলিন্ডার দেওয়ার ক্ষেত্রে। ইন্ডিয়ান অয়েল, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম ও ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো সংস্থাকে সিলিন্ডার সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সর্বোপরি, যুদ্ধের কারণে গ্যাস বা জ্বালানির সংকট হচ্ছে, এহেন গুজবে কান না দেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে রাজ্যের ওই  নির্দেশিকায়। এমন গুজব ছড়ালে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে নজরদারি কমিটিকে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.