Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

ইস্তফার জল্পনায় জল, শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কথা সুরঞ্জনের

অব্যাহতির প্রসঙ্গ এড়ালেন সুরঞ্জন দাস৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৭:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৪, ২০১৮, ১৭:১৬

options
link
ইস্তফার জল্পনায় জল, শারীরিক অবস্থা নিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে কথা সুরঞ্জনের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রবেশিকা বিতর্কের জেরে ছাত্র আন্দোলনে দিনকয়েক আগেই  উত্তাল হয়ে উঠেছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়৷ রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে দেখা করে ইস্তফা দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস৷ কিন্তু শনিবার সেই জল্পনায় জল ঢাললেন নিজেই৷ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করলেও, ইস্তফাপত্র জমা দিলেন না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য৷

[ছাত্র আন্দোলনের চাপে নতিস্বীকার, প্রেসিডেন্সিতে মেধাতালিকা প্রকাশ]

শুক্রবারই রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন যাদবপুরের উপাচার্য সুরঞ্জন দাস৷ কিন্তু ওইদিন সকালে আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন রাজ্যপাল৷ তড়িঘড়ি এসএসকেএমে ভরতি করাতে হয়েছিল তাঁকে৷ যদিও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হয় রাজ্যপালকে৷ রাজভবনে ফিরে আসার পর শনিবারই রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন সুরঞ্জন দাস৷

Advertisement

[হস্টেলের দাবিতে অনশনে পড়ুয়ারা, অচলাবস্থা অব্যাহত মেডিক্যাল কলেজে]

প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে কথা বলেন দুজনে৷ সূত্রের খবর, এদিন রাজ্যপাল কেশরীনাথ ত্রিপাঠীর সঙ্গে উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের পদত্যাগ প্রসঙ্গে কোনও কথাই হয়নি। আচার্যকে পদত্যাগ পত্র জমা দেননি তিনি৷ বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কাজের পরিস্থিতি নেই বলেও রাজ্যপালকে জানান উপাচার্য৷ মূলত নিজের শারীরিক পরিস্থিতি নিয়েই কথা বলেন সুরঞ্জন দাস। রাজ্যপালকে তিনি জানান, তাঁর শরীর খুবই খারাপ। খুবই অসুস্থ তিনি। কোনও অবস্থাতেই মানসিক চাপ নিতে চিকিৎসকরা তাঁকে বারণ করেছেন। উপাচার্য সুরঞ্জন দাসের কথা প্রসঙ্গে রাজ্যপাল তাঁকে চিকিৎসকদের সমস্তরকম নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেন। তবে পদত্যাগের প্রসঙ্গে কেন কথা হল না দুজনের তা নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷

[এবার থেকে প্রাথমিক স্তরের সিলেবাসে গান্ধীজি, সিদ্ধান্ত রাজ্য স্কুলশিক্ষা দপ্তরের]

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রবেশিকা রদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পড়ুয়ারা আন্দোলনে নামলে ব্যাহত হয় পঠনপাঠন। সেই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে পদত্যাগের ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। কিন্তু তখনই তাঁকে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে বারণ করেছিলেন রাজ্যপাল। এরপর মঙ্গলবার কর্মসমিতির বৈঠকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কলাবিভাগে ভরতির ক্ষেত্রে  প্রবেশিকা ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কিন্তু কর্মসমিতির এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি ও সহ-উপাচার্য প্রদীপকুমার ঘোষ যে সহমত নন, সেদিনই সাফ জানিয়ে দেন উপাচার্য সুরঞ্জন দাস। এরপরই ফের নতুন করে মাথাচাড়া দেয় উপাচার্যের পদত্যাগের জল্পনা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.