নিরুফা খাতুন: জোকা আইআইএম কাণ্ডে (IIM Joka) নির্যাতিতার পেশা নিয়েও তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তিনি আদৌ মনোবিদ কি না, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও উত্তর মিলছে না প্রতিবেশীদের কাছ থেকে। তাঁরা জানাচ্ছেন, এমন কোনও বিষয়ে নির্যাতিতা পড়াশোনা করেছেন বা করছেন বলে তাঁরা শোনেননি।
পুলিশকে নির্যাতিতা জানিয়েছিলেন, আইআইএমের দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া অর্থাৎ অভিযুক্ত তাঁকে কাউন্সেলিংয়ের জন্য ডেকেছিলেন। বয়েজ হস্টেলে নিয়ে গিয়ে সেখানে খাবার ও পানীয়ের সঙ্গে কিছু মিশিয়ে তাঁকে আচ্ছন্ন করে দিয়ে ধর্ষণ করা হয়! তবে তিনি মনোবিদ কিনা, তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে প্রতিবেশীদের মনে। স্থানীয়রা জানান, পাড়ার কোনও মেয়ে মনোবিজ্ঞান নিয়ে পড়ছেন বা মনোবিদের পেশায় রয়েছেন তা আগে তাঁরা শোনেননি। তাঁদের বক্তব্য, “ওই তরুণী তো ঘরেই থাকতেন। পাড়ার মেয়েদের সঙ্গেও মিশতেন না। জানতাম স্কুল, কলেজের গণ্ডি শেষ হয়ে গিয়েছে। কোথাও চাকরি করে বলেও কখনও শুনিনি। মাঝে মাঝে সাজগোজ করে বের হতে দেখতাম। কিন্তু কোথায় যেত, কী করতে যেত তা জানি না।”
নির্যাতিতার প্রতিবেশীরা আরও জানিয়েছেন, শুক্রবার অর্থাৎ ঘটনার দিনও তাঁকে সাজগোজ করে পাড়ার রাস্তা দিয়ে যেতে দেখা গিয়েছিল। পরে সংবাদমাধ্যমে ঘটনার কথা তাঁরা জানতে পারেন। শনিবার নির্যাতিতার বাড়িতে পরিবারের সদস্যদের দেখা গেলেও রবিবার কাউকে দেখা যায়নি। বাড়ির প্রবেশপথে গেটের ভিতর দিয়ে তালা ঝোলানো ছিল। অনেক ডাকাডাকি করলেও কারও সাড়া মেলেনি।
সর্বশেষ খবর
-
নীতি আয়োগের বৈঠককে সামনে রেখে বাংলার শিক্ষা খাতে বড়সড় রূপরেখা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু
-
তৃণমূলের আসল দাবিকার কে? মমতা ও ঋতব্রতদের চিঠি কমিশনের, সোমবারের মধ্যেই জবাব তলব
-
স্বামীকে হত্যার মহড়ার স্থানে পুলিশের সঙ্গে সিয়া! রাজি লাই ডিটেক্টর টেস্টে বসতেও
-
ছোট বোনের পর এবার বিয়ের পিঁড়িতে কৃতী শ্যানন? ফাঁস করলেন ভগ্নিপতি
-
মধ্যমগ্রাম স্টেশনে আপাতত বন্ধ বুলডোজার অ্যাকশন! ডিভিশন বেঞ্চেও বহাল অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ