Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
SSKM

SSKM-এর চৌহদ্দিতেই স্কুলের আলো! ওয়ার্ডেই পাঠদান ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের

সূত্রের খবর, ২০২৩ থেকে ২০২৫-এর মধ্যে ওপিডিতে ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ক‌্যানসারের রোগী। ১৬৮ টি লিউকোমিয়া আক্রান্তের মধ্যে সর্বাধিক শিশু অ‌্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকোমিয়া বা ‘এএলএল’-এ আক্রান্ত। শিশুদের মধ্যে এই ক‌্যানসার সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে।

Advertisement
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৪:২৫

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১৪:২৫

options
link
SSKM-এর চৌহদ্দিতেই স্কুলের আলো! ওয়ার্ডেই পাঠদান ক্যানসার আক্রান্ত শিশুদের zoom
এসএসকেএম-এ ক‌্যানসার আক্রান্ত শিশুদের হাতে উপহার তুলে দিচ্ছেন ডা. নীলাদ্রি সরকার।

ক্লাস ফাইভের অর্ণব সেনাপতি ক‌্যানসার আক্রান্ত। এসএসকেএমে চলছে তার চিকিৎসা। আকস্মিক মারণ অসুখের জেরে স্কুলের চৌকাঠ থেকে বহুদূরে! তবু স্কুলের আলো এসে পড়েছে এসএসকেএমের চৌহদ্দিতেই। কীভাবে? এসএসকেএমের পেডিয়াট্রিক অঙ্কোলজি বিভাগের নোডাল অফিসার ডা. কৌশাম্বী কর জানিয়েছেন, এসএসকেএমে ওদের জন‌্য পড়াশোনার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সপ্তাহে তিনদিন শিক্ষক আসছেন ওয়ার্ডে। নিচ্ছেন ক্লাস। হোমওয়ার্ক দিচ্ছেন। চিকিৎসার পাশাপাশি পড়াশোনাও চলছে জোরকদমে।

এসএসকেএমের ডিরেক্টর ডা. মণিময় বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, চিকিৎসা চলাকালীন শিশুরা যেন কখনও না মনে করে ওরা মূল স্রোত থেকে ছিটকে গিয়েছে। সেই চিন্তা থেকেই এই উদ্যোগ। এই প্রয়াসে পাশে দাঁড়িয়েছে সংস্থা ক‌্যানকিডস। ক্রমশ ডালপালা মেলছে শিশুদের ক‌্যানসার। শুধুমাত্র এসএসকেএমের পেডিয়াট্রিক হেমাটো অঙ্কোলজি বিভাগে তিন বছরে ১৬৮ জন শিশুর রক্তের ক‌্যানসার ধরা পড়েছে! তবে অল্প বয়সে ফার্স্ট স্টেজে কর্কটরোগ শনাক্ত করা গেলে সুস্থ করা যাচ্ছে দ্রুত। তার প্রমাণ এসএসকেএমের নতুন হেমাটোঅঙ্কোলজি বিভাগ। সরকারিভাবে তার উদ্বোধন হয়েছে সম্প্রতি। নির্দিষ্ট করে বরাদ্দ হয়েছে বেড। তবে এসএসকেএমের পেডিয়াট্রিক সার্জারি আর রেডিওথেরাপির সঙ্গে যৌথভাবে হাত মিলিয়ে বিগত তিন বছর ধরে চলছিল এই বিভাগ।

Advertisement

তিনবছরে ১৬৮ জন লিউকোমিয়া আক্রান্ত শিশু এসেছে এসএসকেএমে। প্রত্যেকেই সুস্থ হওয়ার পথে। তুন হেমাটো অঙ্কোলজি বিভাগে সপ্তাহে দু’দিন করে চলছে ওপিডি। মঙ্গলবার এবং বৃহস্পতিবার।

ডা. কৌশাম্বী কর জানিয়েছেন, ‘‘তখন নির্দিষ্ট ওয়ার্ড ছিল না ,এই যা। তিনবছরে ১৬৮ জন লিউকোমিয়া আক্রান্ত শিশু এসেছে এসএসকেএমে। প্রত্যেকেই সুস্থ হওয়ার পথে। ওদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই করছি আমরা। নতুন হেমাটো অঙ্কোলজি বিভাগে সপ্তাহে দু’দিন করে চলছে ওপিডি। মঙ্গলবার এবং বৃহস্পতিবার।” সূত্রের খবর, ২০২৩ থেকে ২০২৫-এর মধ্যে ওপিডিতে ৩ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে ক‌্যানসারের রোগী। ১৬৮ টি লিউকোমিয়া আক্রান্তের মধ্যে সর্বাধিক শিশু অ‌্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকোমিয়া বা ‘এএলএল’-এ আক্রান্ত। শিশুদের মধ্যে এই ক‌্যানসার সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। শিশুদের ক‌্যানসার চিকিৎসার একাধিক অত‌্যাধুনিক টেস্টও শুরু হয়েছে এসএসকেএমে। যার মধ্যে রয়েছে ফ্লো সাইটোমেট্রি, ক‌্যারিওটাইপিং, ফিস টেস্ট। কী এই ফিস টেস্ট?

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এটা এমন এক ধরনের জেনেটিক টেস্ট, যেটা দিয়ে রক্ত বা বোনম‌্যারো-র কোষের মধ্যে ডিএনএ-এ অস্বাভাবিক পরিবর্তন আছে কি না দেখা যায়। অত‌্যাধুনিক টেস্টগুলি যাতে নিখরচায় করা যায় তার জন‌্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ক‌্যান কিডস এবং রোটারি। শিশুদের ক‌্যানসার চিকিৎসার পাশাপাশি নয়া ওয়ার্ডে মিলছে সাইকোলজিক‌্যাল কাউন্সেলিং, নিউট্রিশনাল সাপোর্ট, সাইকোলজিক‌্যাল কাউন্সেলিংয়ের সুবিধা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.