Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Kinjal Nanda

আসফাকুল্লার পর স্ক্যানারে কিঞ্জল, কাজ ফেলে শুটিং? জানতে চেয়ে চিঠি রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের

রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কী বলছেন কিঞ্জল?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৭:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৫, ২০২৫, ১৭:১৮

options
link
আসফাকুল্লার পর স্ক্যানারে কিঞ্জল, কাজ ফেলে শুটিং? জানতে চেয়ে চিঠি রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসফাকুল্লা নাইয়ার পর কিঞ্জল নন্দ। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের স্ক্যানারে আর জি কর আন্দোলনের আরেক মুখ। তাঁর বিরুদ্ধে ‘কর্তব্যে গাফিলতি’র অভিযোগ উঠেছে। পিজিটিরা তুলনামূলক কম ছুটি পান। সেক্ষেত্রে সরকারি হাসপাতালের দায়িত্ব সামলে কীভাবে বিজ্ঞাপন ও সিনেমায় শুটিং করার সুযোগ পেলেন, সে বিষয়টি রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের স্ক্যানারে। এই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চেয়ে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিল। ওই চিঠি নবান্ন এবং স্বাস্থ্যসচিবকেও পাঠানো হয়েছে।

ওই চিঠিতে জানতে চাওয়া হয়েছে, “পিজিটি হিসাবে কিঞ্জলের আদৌ ৮০ শতাংশ উপস্থিতি আছে? কতদিন ছুটি নিয়েছেন? পিজিটি হিসাবে কত স্টাইপেন্ড তুলেছেন? বিজ্ঞাপন, সিনেমায় অভিনয় করেন কিঞ্জল নন্দ। সেক্ষেত্রে কীভাবে কাজ সামলে শুটিং করলেন? শুটিংয়ের জন্য এনওসি নিয়েছিলেন?” এই সংক্রান্ত প্রশ্নের তথ্য আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের অধ্যক্ষকে রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলে জানাতে হবে। রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডাঃ মানস চক্রবর্তী বলেন, “পিজিটিদের নিয়মমতো ৮০ শতাংশ উপস্থিতি বাধ্যতামূলক। তাই কীভাবে শুটিংয়ের সময় পেলেন তা জানতে চাওয়া হয়েছে।” যদিও এই চিঠির বিষয়ে কিছু জানা নেই বলেই দাবি করেন কিঞ্জল নন্দ। তিনি বলেন, “চিঠির বিষয়ে এখনও কিছু জানি না। জানতে পারলে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেব।”

Advertisement

জুনিয়র চিকিৎসক অনিকেত মাহাতো অবশ্য এই চিঠির নেপথ্যে ‘ষড়যন্ত্র’ রয়েছে বলেই ইঙ্গিত করেছেন। তাঁর হুঁশিয়ারি, “ভয় দেখিয়ে এভাবে আন্দোলন দমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।” আর জি কর আন্দোলনের আরেক মুখ আসফাকুল্লা নাইয়া আবার রাজ্য মেডিক্যাল কাউন্সিলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বলেন, “মেডিক্যাল কাউন্সিলের কি কোনও কাজ নেই? এভাবে পিছনে লাগা ঠিক হচ্ছে না। কিঞ্জল নন্দকে চাপ দিয়ে কিছু হবে না।” উল্লেখ্য, এর আগে আসফাকুল্লা নাইয়ার বিরুদ্ধে ডিগ্রি ভাঁড়িয়ে প্রাইভেটে চিকিৎসা করার অভিযোগ ওঠে। পুলিশি তদন্তের মুখে পড়েন তিনি। তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও করে পুলিশ। নোটিস পাঠিয়ে আসফাকুল্লাকে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটে তলবও করা হয়। ধারাবাহিক এই ঘটনাগুলির পরিপ্রেক্ষিতে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন আসফাকুল্লা। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিশি তদন্তে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.