Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Abhishek Banerjee

এবার বুলডোজার চলবে অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতনে’! নোটিস ধরালো কলকাতা পুরসভা

কী জানাচ্ছেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৬, ১৬:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২৬, ১৬:৩০

options
link
এবার বুলডোজার চলবে অভিষেকের ‘শান্তিনিকেতনে’! নোটিস ধরালো কলকাতা পুরসভা zoom
Advertisement

মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পরই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়েছিলেন, কোনও বেআইনি নির্মাণকে রেয়াত করা হবে না। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক প্রান্তে চলেছে বুলডোজার। এবার খোদ তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) দুটি বাড়ি, শান্তিনিকেতন ও কালীঘাটে পৌঁছল পুরসভার নোটিস। ইতিমধ্যেই বাড়িতে টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে নোটিস। সেখানে জানানো হয়েছে, বেআইনি নির্মাণ হয়ে থাকলে অবিলম্বে তা ভাঙতে হবে। অন্যথায় পুরসভার তরফে তা ভেঙে দেওয়া হবে। 

হরিশ মুখার্জী রোডে দাঁড়িয়ে পেল্লায় শান্তিনিকেতন। রাজ্যের প্রায় সকলেই সেই প্রাসাদের সঙ্গে পরিচিত। ওই বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে থাকেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্যায়। এছাড়াও একাধিক সম্পত্তি রয়েছে তাঁর। ১২১ কালীঘাট রোডে রয়েছে বাড়ি। যদিও সেটা অভিষেকের মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। যদিও কালীঘাট রোডের ওই বাড়ি লিপস অ্যান্ড বাউন্ডসের সম্পত্তি দেখানো হয়েছে। পুরসভার নজরে এবার ভবানীপুর বিধানসভার ৭৩ নম্বর ওয়ার্ডের ১২১, কালীঘাট রোড এবং ১৮৮এ হরিশ মুখার্জি রোডের বাড়ি।  সম্প্রতি অভিষেকের এই সম্পত্তি খতিয়ান চায় কলকাতা পুরসভা।  নোটিসে বলা হয়, ওই দুই ঠিকানায় যে নির্মাণ রয়েছে তাতে প্ল্যান-বহির্ভূত কিছু অংশ রয়েছে। পাশাপাশি জানতে হয়, যদি কোনও অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়ে থাকে, তাহলে কি পুরসভার অনুমতি নেওয়া হয়েছিল? 

Advertisement

জানা যাচ্ছে, পুরসভার তরফে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, ৭ দিনের মধ্যে সেই অংশ ভেঙে ফেলতে হবে। যদি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের উদ্যোগে তা না করেন, সেক্ষেত্রে পুরসভা ভেঙে দেবে। অর্থাৎ অভিষেকের বাড়িতে চলবে বুলডোজার। এবিষয়ে কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম বলেন,  তিনি কিছুই জানেন না। নোটিস পাঠানো নিয়ে তাঁর সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ করা হয়নি।  এবিষয়ে বিজেপি বিধায়ক তাপস রায় বলেন, “আসলে ফিরহাদকে এখন আর কেউ মানছে না। গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাই উনিও কারও সঙ্গে কথা বলছেন না। কিছু জানতেও পারছেন না। তবে যদি নোটিস পাঠানো হয়ে থাকে, একেবারে ঠিক কাজ করা হয়েছে।”  

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.