BREAKING NEWS

২ আশ্বিন  ১৪২৭  শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

কর্মক্ষেত্রে হেনস্তা রুখতে ‘কোভিড নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেবে কলকাতা পুরসভা

Published by: Suparna Majumder |    Posted: August 12, 2020 8:46 pm|    Updated: August 12, 2020 8:46 pm

An Images

কৃষ্ণকুমার দাস: এবার করোনা পরীক্ষার পর নেগেটিভ সার্টিফিকেটও দেবে কলকাতা পুরসভা। করোনা আক্রান্তরা কোভিড মুক্ত হওয়ার পর এই সার্টিফিকেট দেখিয়ে কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার সুবিধা দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বুধবার স্বাস্থ্যবিষয়ক পুরপ্রশাসক অতীন ঘোষ জানান। কেউ করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন কি না বা পরিবারের সংক্রমিত সদস্যর জেরে তাঁর শরীরে কোভিড ঢুকেছে কি না, তা নিয়ে অনেকেই কর্মস্থলে নিগ্রহের শিকার হচ্ছেন। বস্তুত নাগরিকদের কর্মক্ষেত্রে হেনস্তা বন্ধে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিল কলকাতা পুরসভা। শুধু তাই নয়, আপাতত বরো পিছু দৈনিক একটি করে অ্যান্টিজেন পরীক্ষা শিবির হলেও আগামীতে প্রতিটি ওয়ার্ডেই স্থায়ী কোভিড টেস্ট সেন্টার চালুর প্রস্তুতি শুরু করেছে পুরসভা। মূলত ওয়ার্ডের হেলথ সেন্টারেই এই কেন্দ্রটি চালুর পরিকল্পনা নিয়েছেন পুরকর্তারা।

[আরও পড়ুন:বিচারপতিকে করোনার অভিশাপ আইনজীবীর! জবাব তলব প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের]

মাত্র ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় নিয়ে লালারস বা নাসিকা রস দিয়ে অ্যান্টিজেন কিটের মাধ্যমে পরীক্ষা চালু করেছে পুরসভা। শহরের ১৬টি বরো এলাকায় দৈনিক একটি করে ক্যাম্প চলছে। কিন্তু শীঘ্রই আইসিএমআর এর পাঠানো এই অ্যান্টিজেন কিট দিয়েই বরো পিছু তিন থেকে চারটি করে শিবির আলাদা আলাদা ওয়ার্ডে চালু হবে। সংক্রমণ রুখতে শহরে করোনা সংক্রমিত চিহ্নিত করতে পুরসভার এই নয়া সিদ্ধান্ত বলে অতীন ঘোষের দাবি। তাঁর কথায়, “বরো পিছু তিন থেকে চারটি শিবির চালু হয়ে গেলে দৈনিক শহরে অন্তত ৫০টি ক্যাম্প হবে। তখন অনেক বেশি মানুষ করোনা পরীক্ষার সুবিধা নিতে পারবেন। অদূর ভবিষ্যতে শহরে প্রতিটি ওয়ার্ডেই একটি করে স্থায়ী করোনা পরীক্ষাকেন্দ্র চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে পুরসভা।”

[আরও পড়ুন: করোনা চিকিৎসায় ১৯ লক্ষ টাকার বিল! মেডিকা হাসপাতালের কাছে তথ্য চাইল স্বাস্থ্য কমিশন]

এখনও পর্যন্ত পুরসভা প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে বিনা খরচে কোভিড পরীক্ষার সুবিধা দিয়েছে। এবার কলকাতা পুলিশের সাহায্যে বহুতল আবাসনেও আশা বা স্বাস্থ্যকর্মীরা প্রবীণ নাগরিকদের স্বাস্থ্যের খবর নিতে শুরু করেছেন। বিশেষ করে কাদের কো-মরবিডিটি রয়েছে তাঁর তথ্য সংগ্রহ করে রাখলে করোনা আক্রান্ত হলেই সঙ্গে সঙ্গে পুরসভা ব্যবস্থা নিতে পারবে। আসলে বহুতলের ফ্ল্যাটে অনেক বাসিন্দার কোভিড পজিটিভ হলেও তা পুরসভা বা স্বাস্থ্যভবনকে তথ্য দেওয়া হচ্ছিল না। বস্তুত এই তথ্য গোপন করে হোম আইসোলেশনে থাকার জেরেই করোনা বহুতলে দ্রুত সংক্রমিত হচ্ছিল। আর সেই কারণে এবার বহুতল এবং আবাসনের প্রবীণ রোগীদের তথ্য সংগ্রহে কড়া নজরদারি চালু করল পুরসভা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement