BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

অসম্ভব ব্যথা, মহিলার দু’হাতে অস্ত্রোপচার করতেই মিলল ১৫টি সুচ

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: January 29, 2018 3:31 am|    Updated: January 29, 2018 3:31 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: দু’হাতে অসম্ভব ব্যথা ছিল। পুঁজ বেরচ্ছিল একাধিক জায়গা থেকে। বাড়ির লোক ভেবেছিলেন চর্মরোগ। মেডিক্যাল কলেজে দু’হাতের অস্ত্রোপচার করাতেই বেরিয়ে এল ১৫টা সুচ!

মেদিনীপুরের ক্ষীরপাইয়ের মৌমিতা ঘোষ(২৫)এক অদ্ভুত অসুখে আক্রান্ত। ফিটের ব্যামোয় প্রায়ই সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়েন তিনি। সে সময় খাওয়া-দাওয়ার উপায় থাকে না। স্যালাইন চলে শরীরে। বাড়িতে প্রায়ই খিঁচ ধরে অজ্ঞান হয়ে যেতেন তিনি। খবর দেওয়া হত স্থানীয় হাতুড়ে এক চিকিৎসককে। তিনিই স্যালাইন দিতেন। ধীরে ধীরে সুস্থ হলে স্যালাইন খুলে দেওয়া হত। কিন্তু দেড়মাস আগে হঠাৎই একদিন দু’হাতে অসম্ভব যন্ত্রণা অনুভব করেন মৌমিতা। অস্ত্রোপচারের পর চিকিৎসকরা বুঝতে পারেন, হাতের ভেতর সুচগুলো থেকে যাওয়ার জন্যই যন্ত্রণা হত মৌমিতার। আর এর পিছনে হাতুড়ে ডাক্তারের গাফিলতির হাতই দেখছেন সকলে।

[ধুম লেকে তলিয়ে গেলেন বাঙালি গবেষক, রাতভর তল্লাশিতে উদ্ধার দেহ]

ক’দিন ধরেই দু’হাতে অসম্ভব ব্যথা হচ্ছিল মৌমিতার। দু’হাতেই কবজি থেকে কনুই পর্যন্ত একাধিক ছোট ছোট ফুটো রয়েছে মৌমিতার। মেডিক্যাল কলেজে যে চিকিৎসকরা তাঁকে পরীক্ষা করেছেন তাঁরা জানিয়েছেন, স্যালাইনের চ্যানেল করার সময় হাতের ফুটোগুলো থেকেই পুঁজ বেরচ্ছিল। একদিন নিজেই ক্ষতস্থানে চাপ দিয়ে একটা আস্ত সুচ বের করে আনেন মৌমিতা। চমকে যান পরিবারের লোকেরা। আত্মীয় শ্যামলী ঘোষ জানান, এর পরই ওঁর হাতে এক্স রে করা হয়। সেখানেই দেখা যায় দু’হাতে লুকানো রয়েছে অনেকগুলি সুচ। মেদিনীপুর থেকে মৌমিতাকে নিয়ে আসা হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। সেখানে ডা. সুকুমার মৈত্র অস্ত্রোপচার করেন তাঁর হাতে। শনিবার অস্ত্রোপচার শেষে তাঁর দু’হাত থেকে পাওয়া গিয়েছে মোট ১৫টি সুচ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ডান হাতে ১৩ টি ও বা হাতে ২টি সুচ ছিল।

[মেটেনি পণের দাবি, বিয়ের ২ মাসের মধ্যে অস্বাভাবিক মৃত্যু বধূর]

কিন্তু কীভাবে হাতের মধ্যে রয়ে গিয়েছিল এতগুলো সুচ? মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, হাতুড়ে যে ডাক্তার মৌমিতার চিকিৎসা করতেন তিনিই ভুলবশত হাত থেকে স্যালাইনের সুচগুলি বের করতে ভুলে গিয়েছেন। সুচগুলি আকারে খুব বেশি বড় নয়। অস্ত্রোপচারের পর আপাতত সুস্থ আছেন মৌমিতা। তবে, কিছুদিন আগেই এসএসকেএম হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছিল এক সুচবিদ্ধ শিশুর। খুব বেশি দেরি হলে মৌমিতারও শারীরিক অবস্থা সঙ্কটে পড়তে পারত বলেই মনে করছেন মেডিক্যাল কলেজের অস্ত্রোপচার টিম। ঘটনায় ওই হাতুড়ে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানানোর কথাও ভাবছে মৌমিতার পরিবার।

[পাত্রী চাই কিন্তু যৌনসুখ দিতে অক্ষম, সাহসী পাত্রের বিজ্ঞাপনে হইচই]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement