Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
বঙ্গে পালাবদল
Kolkata

হেলমেট না পরলেই শাস্তির খাঁড়া! সোম থেকে বুধবার কলকাতায় ধরা পড়লেন ৩৩০২ জন

শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও 'ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট'-এর জন্য এবার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তর প্রত্যেকটি ডিভিশনে 'মাস্টার প্যারেড' শুরু করার নির্দেশ দিল লালবাজার।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ১০:৪৮

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: মে ১৪, ২০২৬, ১০:৪৮

options
link
হেলমেট না পরলেই শাস্তির খাঁড়া! সোম থেকে বুধবার কলকাতায় ধরা পড়লেন ৩৩০২ জন zoom
ফাইল ছবি।

নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর হেলমেটহীন বাইক চালকদের ধরার ব্যাপারে গুরুত্ব দিল পুলিশ। একইসঙ্গে এক বাইকে দু’জনের বেশি আরোহী ধরার ব্যাপারেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। গত সোমবার থেকে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত হেলমেট না পরে বাইক চালানোর অভিযোগে ৩৩০২ জনকে ধরেছে পুলিশ। এদিকে, শহরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও ‘ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট’-এর জন্য এবার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তর প্রত্যেকটি ডিভিশনে ‘মাস্টার প্যারেড’ শুরু করার নির্দেশ দিল লালবাজার।

পুলিশ জানিয়েছে, গত সোমবার শহরের বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিংয়ে হেলমেট ছাড়া বাইক চালানো ও ট্রিপল রাইডিংয়ের অভিযোগে ৭২২ জনকে ধরা হয়েছে। মঙ্গলবার এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ১৯৩৯। বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত এই অভিযোগে ধরা হয়েছে ৬৪১ জনকে। এর মধ্যে প্রথম দু’দিন সবথেকে বেশি ধরপাকড় হয়েছে হেড কোয়ার্টার ট্রাফিক গার্ড বা মধ্য কলকাতায়। এই সংখ্যাটা ২৯০। এর পর মেটিয়াবুরুজ এলাকা থেকে ধরা পড়েছে ২৪৩ জন। এরপর রয়েছে ইস্ট ট্রাফিক গার্ড, জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডের নাম। তিনদিনে মোট ধৃতের সংখ্যা ৩৩০২।

Advertisement

এদিকে, লালবাজারের পক্ষ থেকে নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে যে, বিভিন্ন আইন ও শৃঙ্খলার ডিউটির সময় দেখা গিয়েছে, পুলিশের মধ্যে টিম ওয়ার্ক, ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট স্কিলের অভাব রয়েছে। আইনশৃঙ্খলার সমস্যা হলে তা আয়ত্তে আনতে পুলিশ সমস্যায় পড়তে পারে। তাই এবার থেকে প্রত্যেক ডিভিশন ১৪ দিন অন্তর ‘মাস্টার প্যারেড’-এর আয়োজন করবে। প্যারেডের শেষে ক্রাউড ম্যানেজমেন্ট নিয়ে পুলিশকর্মী ও আধিকারিকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। প্রত্যেক পদের পুলিশকর্মী ও আধিকারিককে এই প্যারেড ও প্রশিক্ষণে যোগ দিতে হবে। একটি রেজিস্টার খাতায় নথিভুক্ত করতে হবে যে, কারা প্যারেড ও প্রশিক্ষণে যোগ দিচ্ছেন এবং কারা দিচ্ছেন না। এই ব্যাপারে ডিভিশনাল ডিসিরা প্রত্যেক মাসে লালবাজারে রিপোর্ট দেবেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.