Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

স্ত্রীকে ভিডিও কল করার সময়ই আত্মঘাতী উল্টোডাঙার সিভিক ভলান্টিয়ার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য

দেহটি উদ্ধার করে ময়নতদন্তে পাঠায় পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২০, ২১:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২২, ২০২০, ২১:৫৯

options
link
স্ত্রীকে ভিডিও কল করার সময়ই আত্মঘাতী উল্টোডাঙার সিভিক ভলান্টিয়ার, মৃত্যু ঘিরে রহস্য zoom
ছবি: প্রতীকী

অর্ণব আইচ: স্ত্রীকে ভিডিও পোস্ট করে আত্মঘাতী হলেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার। যদিও পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, স্ত্রীকে ভিডিও কল করতে করতেই তিনি আত্মহত্যা করেন। চন্দন সিং (৩৫) নামে ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের মৃত্যু নিয়ে দেখা দিয়েছে রহস্য। শনিবার রাতে ডিউটি করে বাড়ি ফেরার পর তিনি কেন আত্মঘাতী হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

পুলিশের মতে, স্ত্রীর সঙ্গে সাংসারিক গোলমালের ফলেই তিনি আত্মঘাতী হন। যদিও পরিবার ও প্রতিবেশীদের ধারণা, এর পিছনে অন্য কোনও কারণও থাকতে পারে। বড়তলা থানা এলাকার উল্টোডাঙা রোডের বাসিন্দা চন্দন সিং গত চার মাস ধরে উত্তর কলকাতার (North Kolkata) টালা থানায় সিভিক ভলান্টিয়ার হিসাবে কাজ করতেন। প্রতিবেশী কুন্তীদেবী জানান, ছটের জন্য চন্দনের মা, বাবা, স্ত্রী ও তিন সন্তান পাটনার বাড়িতে গিয়েছেন। রবিবার ভোর তিনটে নাগাদ চন্দন ওরফে লালুর স্ত্রী ববিতা সিং তাঁকে ফোন করে জানান, ভিডিওয় তাঁর স্বামী এমন কিছু বলেছেন ও ছবি দেখিয়েছেন, যাতে তাঁর সন্দেহ হচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টের ভুয়ো পরিচয়ে বেআইনি কারবার, গোয়েন্দাদের জালে অভিযুক্ত]

কুন্তীদেবী ঘর থেকে বেরিয়ে দেখেন চন্দনের ঘরের দরজা ভেজানো। দরজা খুলেই দেখেন যে, সিলিং থেকে গলায় শাড়ির ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন ওই যুবক। বড়তলা থানায় খবর দেওয়া হয়। দেহটি পুলিশ উদ্ধার করে ময়নতদন্তে পাঠায়। চন্দনের স্ত্রী ববিতা দাবি করেছেন, তাঁর সঙ্গে সন্ধেয় স্বামীর কথা হয়েছে। তিনি বারবার স্ত্রীকে বাড়িতে চলে আসতে বলছিলেন। গভীর রাতে তাঁর মেয়ে তাঁকে জানান, বাবা সন্দেহজনক ভিডিও পোস্ট করেছেন। ওই ভিডিও দেখেই তিনি ভয় পেয়ে যান। স্বামীকে বারবার ফোনে না পেয়ে প্রতিবেশীকে ফোন করেন।

পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, তাদের কাছে খবর, মৃত্যুর আগে স্ত্রীকে ভিডিও কল করেছিলেন তাঁর স্বামী। জানা গিয়েছে, ওই সিভিক ভলান্টিয়ারের বাবা একটি সরকারি অফিসেই কাজ করেন। আগে রেলের ঠিকা সংস্থায় কাজ করতেন চন্দন। পরে কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার হিসাবে যোগ দেন। তাঁর মৃত্যুরহস্য উন্মোচনে পরিবারের লোকেদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: জোটের জট কাটানোই লক্ষ্য, বাংলার কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন রাহুল]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.