২৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: পঞ্চসায়র গণধর্ষণ কাণ্ডে অভিযুক্ত নাবালকের বিরুদ্ধে যাতে সাবালকদের মতোই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তার জন্য আদালতে গেল লালবাজার। জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডের কাছে এই বিষয়ে আবেদনও করা হয়েছে। এক পুলিশকর্তা জানান, কলকাতা পুলিশের ইতিহাসে এই প্রথম পুলিশ নাবালকের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে চাইছে। পুলিশের মতে, ওই নাবালক যা করেছে, তা একজন সাবালক করতেও ভয় পায়।

এর আগে দিল্লিতে নির্ভয়া কাণ্ডে চলন্ত বাসের মধ্যে ধর্ষণের ক্ষেত্রে এক নাবালকের বিরুদ্ধে অকথ্য অত্যাচার চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। এই ক্ষেত্রে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করার পর স্কুলছুট ওই নাবালকই যে প্রথম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত যুবতীকে ধর্ষণ করেছিল, তা সে স্বীকার করেছে। সে এই কীর্তি করার পর ট্যাক্সিচালক উত্তম রাম তাঁকে ধর্ষণ করে। যদিও উত্তম তা স্বীকার করেনি। পুলিশের এই আবেদনের ভিত্তিতে জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ড ওই নাবালকের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবস্থা পুলিশকে জানাতে বলেছে। তার মানসিক পরীক্ষাও নেওয়া হবে। আগামী ৫ ডিসেম্বরের মধ্যে এই তথ্য বোর্ডকে জানাবে পুলিশ। এরপরই বোর্ড সিদ্ধান্ত নেবে তাকে সাবালক হিসাবে আইনত দেখানো হবে কি না। শুক্রবার এক ‘এডুকেটর’-এর সাহায্যে আদালতে গোপন জবানবন্দি দেবেন যুবতী।

[আরও পড়ুন: সিগারেটে কালো ফুসফুস, দান করা অঙ্গ ফেরালেন চিকিৎসকরা]

পুলিশের সূত্র জানিয়েছে, নিজের পিঠ বাঁচাতেই সহজে ট্যাক্সিচালক উত্তম রাম পুলিশকে ওই নাবালকের কথা জানাতে চায়নি। পরে পুলিশ জানতে পারে যে, রাত আটটা থেকেই গাড়ির পিছনের সিটে বসে ছিল ওই নাবালক। ওই সময় মদ্যপ অবস্থায় নরেন্দ্রপুরের কাঠিপোঁতায় গিয়েছিল উত্তম। সেখানেই নাবালককে গাড়িতে তোলে সে। নয়াবাদে গিয়ে উত্তমের সঙ্গে মদ্যপান করে। তা এক ব্যক্তির চোখেও পড়েছিল। কিন্তু ট্যাক্সির পিছনের কাচ তোলা থাকায় নাবালকের চেহারা ধরা পড়েনি পুলিশের কাছে। যদিও ধর্ষণের সময় ওই যুবতীর মুখ বাঁধা হয়েছিল কি না, তা দেখা হচ্ছে। যুবতীর চিৎকার কেন গাড়ির বাইরে যায়নি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং