Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Municipal Corporation

আরও দুই ওয়ার্ড বাড়তে পারে কলকাতায়, ৪৫ ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা প্রশ্নের মুখে

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মেনে সমস্ত ওয়ার্ডে সম-উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ওয়ার্ড পিছু ১৬ হাজার ভোটার রেখে ডিলিমিটেশন করার কাজ শুরু করেছিল পুরসভা।

কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ০৮:৫৮

link
কৃষ্ণকুমার দাস
কৃষ্ণকুমার দাস

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৭, ২০২৬, ০৮:৫৮

options
link
আরও দুই ওয়ার্ড বাড়তে পারে কলকাতায়, ৪৫ ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা প্রশ্নের মুখে zoom
কলকাতা পুরসভা। ফাইল ছবি।
Advertisement

উন্নয়নের অর্থ সমপরিমাণ বণ্টনে পুনর্বিন্যাসে সমস্ত ওয়ার্ডে সমসংখ্যক ভোটার রাখার নির্দেশ দিলেও শহরের অন্তত ৪৫টি ওয়ার্ডে নবান্নের সেই গাইডলাইন মানতে পারল না কলকাতা পুরসভা। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নির্দেশ মেনে সমস্ত ওয়ার্ডে সম-উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ওয়ার্ড পিছু ১৬ হাজার ভোটার রেখে ডিলিমিটেশন করার কাজ শুরু করেছিল পুরসভা। আপাতত ২০৯টি ওয়ার্ড হলেও সীমানা পুনর্বিন্যাস করতে গিয়ে প্রশাসনিক প্রয়োজনে আরও দুটি বেড়ে ২১১টি হতে পারে বলে পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর সূত্রে খবর।

নভেম্বরের শেষে পুরভোটের টার্গেট পূরণে তড়িঘড়ি ডিলিমিটেশনে পুর-অফিসাররা ১২টি ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ১৮ হাজার পার করিয়ে দিয়েছেন। আবার রিপন স্ট্রিট-আলিমুদ্দিন এলাকার ৬২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ৩২ হাজার পেরিয়েছে বলে সর্বদলীয় বৈঠকে অভিযোগ জমা পড়েছে। আবার পুনর্বিন্যাসের জেরে নতুন যে ২০৯টি ওয়ার্ড হয়েছে সেখানে খসড়া তালিকার বুথের হিসাবে ৩২টি ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা সাড়ে ১৩ হাজারের কম হয়েছে বলে স্বীকার করছেন পুরসভার অফিসাররা। আর প্রশ্ন এখানেই, চিহ্নিত এই ৪৫টি ওয়ার্ডের কীভাবে সম-উন্নয়ন সম্ভব?

Advertisement

বিরোধী দল তৃণমূল, বাম ও কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপিকে পুরভোটে সুবিধা পাইয়ে দিতে ডিলিমিটেশনের সময় ইচ্ছামতো ওয়ার্ডের সীমানা নির্ধারণে ভোটার সংখ্যা নির্দিষ্টের চেয়ে কম-বেশি হয়েছে। পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে জানিয়েছেন, “ওয়ার্ড ডিলিমিটেশন নিয়ে যে সমস্ত অভিযোগ এসেছে, লিখিত জমা পড়েছে দ্রুত খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে কলকাতা ও হাওড়া পুরভোটের আগেই এসআইআরের ট্রাইবুন্যাল মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তি করা হবে। স্বভাবতই কলকাতার পুরনো ১৪৪টি ওয়ার্ড মিলিয়ে যে কয়েক হাজার ভোটারের আবেদন জমা পড়ে আছে সেই নামগুলি জুড়ে গেলে সংখ্যার পরিবর্তন হয়ে যাবে। উত্তর, মধ্য ও পূর্ব কলকাতার বহু ওয়ার্ডে ট্রাইবুনালে থাকা নামগুলি জুড়লে ভোটার ও জনসংখ্যার সামগ্রিক সংখ্যায় বদল ঘটবে। সর্বোপরি রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে এই প্রক্রিয়ায় সঙ্গে না নেওয়ায় পুরসভার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এখনও পর্যন্ত যেহেতু ওয়ার্ডগুলির সীমানা পুনর্বিন্যাস চূড়ান্ত হয়নি তাই মানচিত্র তৈরি করা যায়নি। ৬২ নম্বরের মতো যে সমস্ত ওয়ার্ডে প্রচুর বেশি বা অনেক কম ভোটার আছে সেগুলি কীভাবে সামঞ্জস্য বজায় রাখে সেটাই এখন দেখার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.