Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

সাত দিনের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশু উদ্ধার, ধৃত দুই পাচারকারী

পশ্চিম বন্দর থানার পুলিশের চেষ্টাতেই সাফল্য।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৮, ১৫:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৭, ২০১৮, ১৫:৪৯

options
link
সাত দিনের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশু উদ্ধার, ধৃত দুই পাচারকারী zoom

অর্ণব আইচ: সাতদিনের মধ্যে হারিয়ে যাওয়া শিশুকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দিল পশ্চিম বন্দর থানার পুলিশ। জালে দুই পাচারকারীও। শিশুটির নাম রাজা। বয়স চার। গার্ডেনরিচের হুগলি জুটমিলের শ্রমিক শিশুর বাবা। সেখান থেকেই নিখোঁজ হয় শিশুটি। সাতদিনের মধ্যে তাঁকে বিহার থেকে উদ্ধার করা হয়।

থানায় শিশু নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন শিশুর মা সীমা দেবী। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পুরস্কার ঘোষণা করে লিফলেটও ছাপানো হয়। কিন্তু কোনও খোঁজ মেলেনি। পরে সূত্র মারফত খবর মেলে, জুটমিলেরই এক শ্রমিকের সঙ্গে শেষবার দেখা গিয়েছিল রাজাকে। শিশুটিকে বিহারে পাচার করার সম্ভাবনা প্রবল। ঘটনায় আরও একজন জড়িত রয়েছে। এরপরই স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। বিজয় সিং নামের ওই শ্রমিককে চিহ্নিত করে পুলিশ। কিন্তু বিজয়কে তখনই না ধরে তার উপর নজর রাখা হয়। চেষ্টা করা হয় তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহের। খবর মেলে, বিহারের ছাপড়া থেকে রাজাকে পাচার করার চেষ্টা হচ্ছে। দ্রুত থানার বিশেষ টিম রওনা দেয় বিহারের ছাপড়া জেলার উদ্দেশ্যে। টিমে ছিলেন অতিরিক্ত ওসি সুমিত ঘোষ, এসআই অভিজিৎ বসু, কনস্টেবল শ্যামসুন্দর সিং ও দীনেশ মণ্ডল।

Advertisement

[অনুপস্থিত সরকারি ডাক্তারদের নিয়ে এবার রাজ্যের ‘সেনসাস’]

খবর ছিল, সচ্চিদানন্দ ঠাকুর নামের একজন রাজাকে লুকিয়ে রেখেছে। তার বাড়িতে তল্লাশি চালায় পুলিশের তদন্তকারী টিম। কিন্তু, ততক্ষণে রাজাকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে সচ্চিদানন্দ। স্থানীয়রা জানান, দিদ্বারা স্টেশনের দিকে যেতে দেখা গিয়েছে সচ্চিদানন্দকে। সঙ্গে একটা ছোট শিশুও ছিল। তদন্তকারী টিমের অফিসারেরা এরপর সাহায্য চাইতে দ্রুত দিদ্বারা থানায় পৌঁছান। সেখানে গিয়ে জানা যায়, দিদ্বারা জিআরপি কিছুক্ষণ আগেই একটি শিশুকে উদ্ধার করেছে স্টেশন থেকে। তাকে হাজিপুরের বালকল্যাণ সমিতি নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। অফিসাররা ফের ছোটেন হাজিপুর। সেখানে গিয়ে জানা যায়, শিশুটিকে আপাতত হাজিপুরের নারায়ণী সেবা সংস্থান নামের একটি অনাথ আশ্রমে রাখা হয়েছে। সেখানে পৌঁছে শিশুটির সন্ধান পেয়ে অফিসারেরা কলকাতায় ভিডিও কল করেন। ভিডিও কলে নিজের সন্তানকে শনাক্ত করেন রাজার মা সীমা দেবী। রবিবারই রাজাকে তার বাবা-মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। রাজার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও সূত্র মারফত খবর পেয়ে সোমবার বিজয় ও সচ্চিদানন্দকেও ধরে ফেলে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ৬০ হাজার টাকার বিনিময়ে রাজাকে বিহারের শোনপুরে বিক্রির পরিকল্পনা ছিল দু’জনের।

[মৃত মহিলাকেই হাসপাতালে ভরতির নিদান শহরের চিকিৎসকের, কেন জানেন?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.