অর্ণব আইচ: বাংলায় চুরি যাওয়া মোবাইল পাচার বাংলাদেশে! ফাঁদ পেতে মোবাইল পাচারচক্রের চাঁইকে গ্রেপ্তার করল লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। তাকে জেরা করে এই পাচারচক্র সম্পর্কে আরও নানা তথ্য পাওয়া যাবে বলেই আশা তদন্তকারীদের।
ঠিক কীভাবে কাজ করে এই পাচারচক্র? রাস্তাঘাটে মোবাইল চুরি কিংবা ছিনতাই প্রায় লেগেই থাকে। পুলিশ সূত্রে খবর, মূলত একশ্রেণির নেশাড়ু মোবাইল চুরি করে। ধরা যাক সে ৪০ হাজার টাকার মোবাইল চুরি করল। তারপর নেশার টাকা জোগাড়ের তাগিদে মাত্র ৪ হাজার টাকা পেলেই বিক্রি করে দেয় এজেন্টদের কাছে। তাদের প্রথম কাজ, চোরাই মোবাইলের সমস্ত ডেটা ডিলিট করে দেওয়া। তারপর ওই চোরাই মোবাইল চলে যায় উত্তর ২৪ পরগনার বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায়। বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয় মোবাইল।
পুলিশের কাছে এই সংক্রান্ত নানা তথ্য ছিল। তাই প্রতারণা চক্রের পর্দাফাঁস করতে তৎপর হয়ে ওঠেন তদন্তকারীরা। লালবাজারের গোয়েন্দা দপ্তরের এক আধিকারিক মোবাইল ‘চোরে’র হাতে তাঁর দামি মোবাইল তুলে দেন। ওই ‘চোরে’র উপর কড়া নজরদারি চলে। সেই সূত্র ধরে মহম্মদ সামির নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি বাংলা থেকে বাংলাদেশে চুরি যাওয়া মোবাইল পৌঁছে দেওয়ার কাজ করত। তবে সে একা নয়, এই প্রতারণা চক্রের সঙ্গে যে আরও অনেকে জড়িত, সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। ধৃতকে জেরা করে এই প্রতারণা চক্র সংক্রান্ত আরও নানা তথ্য পাওয়া যাবে বলেই আশা। তাই দফায় দফায় তাকে জেরা করা হচ্ছে।
সর্বশেষ খবর
-
অসুস্থ হয়ে দিল্লি এইমসে ভর্তি বিমান বসু, কী জানাল বামফ্রন্ট রাজ্য নেতৃত্ব?
-
হাওড়ায় বাড়ির সামনে জমা জলে উদ্ধার ব্যক্তির দেহ, তদন্তকারী দল পাঠালেন মন্ত্রী, আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস
-
আচমকা অসুস্থ বুদ্ধদেবজায়া মীরা ভট্টাচার্য, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন
-
বাবাকে ‘টার্গেট’ ভেবে ঘরে ঢুকে ছেলেকে খুন! যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল হাওড়া আদালত
-
অভয়া মামলা থেকে নিস্তার নেই! তোলাবাজিতে জামিন হলেও জেলেই প্রাক্তন কাউন্সিলর সঞ্জীব