Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Kolkata Police

ফের মুঙ্গের যোগ! কলকাতার ময়দান এলাকা থেকে কার্তুজ-সহ গ্রেপ্তার মঙ্গলকোটের যুবক

ধৃতকে পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৫, ১৮:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৭, ২০২৫, ১৮:০০

options
link
ফের মুঙ্গের যোগ! কলকাতার ময়দান এলাকা থেকে কার্তুজ-সহ গ্রেপ্তার মঙ্গলকোটের যুবক zoom
প্রতীকী ছবি
Advertisement

অর্ণব আইচ: ফের খাস কলকাতায় উদ্ধার হল তাজা কার্তুজ। গ্রেপ্তার হল শাহিদুল্লার মল্লিক নামে এক যুবক। গত মাসেই ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ কার্তুজ-সহ এক যুবক গ্রেপ্তার হয়েছিল। তাঁকে জেরা করেই এই যুবককে পাকড়াও করা হল বলে খবর।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ, মঙ্গলবার কলকাতার ময়দান এলাকায় গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। কলকাতা পুলিশের এসটিএফের তরফ থেকে এই অভিযান চলে। এক যুবককে ইতস্তত ঘোরাঘুরি করতে দেখা যায়। তাঁকে ধরে তল্লাশি চালাতেই বেরিয়ে পড়ে তাজা কার্তুজের প্যাকেট। ৭.৫৬ এমএম পিস্তলের ১০ টি তাজা কার্তুজ পাওয়া গিয়েছে। তারপরই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত শাহিদুল্লার মল্লিকের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোটে। তাহলে এই যুবকও কি অস্ত্র-কার্তুজ পাচারে ক্যারিয়ার হিসেবে নিযুক্ত? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

Advertisement

গত মাসে ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অভিযান চালিয়েছিল এসটিএফ। উদ্ধার হয় ১২০ রাউন্ড কার্তুজ। বর্ধমানের কেতুগ্রাম থেকে বাসে করে কলকাতার ধর্মতলায় নেমেছিলেন ওই যুবক। তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত রামকৃষ্ণ মাজির বাড়ি পূর্ব বর্ধমানে কেতুগ্রামে। এই যুবকও ক্যারিয়ার হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন। বিহারের মুঙ্গের থেকে ওই কার্তুজ আনা হয়েছিল বলে অনুমান। বিহার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জায়গায় অস্ত্র, কার্তুজ ঢুকছে। সেই অনুমান আগেই করেছিলেন তদন্তকারীরা। ধৃত রামকৃষ্ণকে জেরা করেই এই যুবকের সন্ধান মেলে বলে খবর। এরপরেই তদন্তকারীরা ময়দান চত্বরে হানা দেন। এদিন যেসব কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে সেগুলির সঙ্গে গত মাসে বাজেয়াপ্ত হওয়া কার্তুজের কি মিল আছে? সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এদিনই ধৃতকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়েছিল। বিচারক ধৃতকে আগামী ৩০ তারিখ পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। ধৃতকে জেরা করে আরও তথ্য পাওয়ার চেষ্টা হবে। আর কারা এই চক্রের সঙ্গে জড়িয়ে? তাও জানার চেষ্টা হবে বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.