সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলকাতার নগরপালের নামে নথিভুক্ত করা বাইক চালাত আর জি কর কাণ্ডে ধৃত সঞ্জয় রায়। সোশাল মিডিয়ায় ঘুরপাক খাচ্ছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যদিও ইতিমধ্যেই এবিষয়ে মুখ খুলেছে কলকাতা পুলিশ। জানানো হয়েছে, কলকাতা পুলিশের সমস্ত গাড়িই প্রাথমিকভাবে নথিভুক্ত করা থাকে পুলিশ কমিনশনারের নামে। এক্ষেত্রেও বিষয়টা ঠিক তাই।
৯ আগস্ট, আর জি করে তরুণী চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। এর পরই গ্রেপ্তার করা হয় সঞ্জয় রায় নামে এক সিভিক ভলান্টিয়ারকে। বাজেয়াপ্ত করা হয় তার বাইক। পরবর্তীতে সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে একটি তথ্য। দাবি করা হয়, ধৃত সঞ্জয়ের বাইকটি নাকি নগরপালের নামে নথিভুক্ত করা। এবিষয়ে সোশাল মিডিয়ায় অবস্থান স্পষ্ট করল কলকাতা পুলিশ। তাঁদের তরফে জানানো হয়, কলকাতা পুলিশ যে সব সরকারি যানবাহন ব্যবহার করে, তা সবই প্রাথমিকভাবে নথিভুক্ত থাকে পুলিশ কমিশনারের নামে। পরবর্তীতে সেগুলো বিভিন্ন বিভাগে প্রয়োজনমতো দেওয়া হয়। এর পাশাপাশি দাবি করা হয়, সোশাল মিডিয়ায় পরিকল্পনামাফিক বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চলছে।
[আরও পড়ুন: ১০০-র মধ্যে ৭৪ জন ধর্ষক শাস্তিই পায় না! ফের কঠোর আইনের দাবিতে সরব অভিষেক]
— Kolkata Police (@KolkataPolice) August 27, 2024
প্রসঙ্গত, যে বাইক ঘিরে এত প্রশ্ন, তা মোটের উপর ছিল সঞ্জয়ের সর্বক্ষণের সক্ষী। প্রতিবেশী থেকে পরিচিতরা, সকলেই জানিয়েছিলেন ধৃত দিনভর বাইকেই ঘুরত। বাইকে লেখা ছিল “KP।” ঘটনার দিনও ওই বাইকে একাধিকবার হাসপাতালে যাতায়াত করেছিল অভিযুক্ত, সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে উঠে এসেছে এমনই তথ্য।
[আরও পড়ুন: ‘রাত দখলে’র পর ‘অধিকার দখল’, নবান্ন অভিযান প্রত্যাখ্যানের আহ্বান মহিলা বাহিনীর]
সর্বশেষ খবর
-
এক সপ্তাহ বন্ধ সুন্দরবনের সাফারি, যোগা দিবসের প্রস্তুতিতে কলকাতায় টুরিস্ট বোট, লঞ্চ
-
বিধানসভায় ফিরহাদের সঙ্গে বৈঠক, বেরিয়ে এসে ঋতব্রত বললেন, ‘এবার ৬৫’
-
শোনেনি বাবার বারণ, ঝড়বৃষ্টি দেখেই শালিকের বাচ্চা বাঁচাতে ছুটেছিল কিশোর, বজ্রাঘাতে সব শেষ!
-
কালীঘাটে কুণালকে ডিম! মমতার বাড়ির সামনেই আক্রান্ত বেলেঘাটার বিধায়ক
-
‘বুড়ো বর, সুখ পান?’, আরবাজকে কটাক্ষ করতেই মোক্ষম জবাব সলমনদের বাড়ির বউমার