বাড়ির মিউটেশন ও বকেয়া ট্যাক্সের বিল মেটানোর নামে প্রাক্তন বিধায়ক বৈশালী ডালমিয়াকে প্রতারণার অভিযোগ। কলকাতা পুলিশের জালে এক। ধৃতের নাম সামসুদ্দিন জমাদার (৪১) দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার জীবনতলা থেকে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। যদিও ঘটনায় যুক্ত আরও দু’জনের খোঁজে শুরু হয়েছে তল্লাশি। এই বিষয়ে আরও জানতে ধৃত সামসুদ্দিনকেও জেরা করছেন পুলিশের আধিকারিকরা। শুধু তাই নয়, ঘটনার পিছনে কোনও বড়সড় চক্র কাজ করছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
মূল অভিযুক্ত প্রণব বাড়ির মালকিনকে জানান, মিউটেশন ও বকেয়া ট্যাক্স বাবদ ভূমি রাজস্ব দপ্তরের কাছে জমা করতে হবে মোট ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বাস করে সেই টাকা দিয়েও দেন বৈশালী ডালমিয়া।
আরও পড়ুন:
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেহালা থানা এলাকার বি এল শাহ রোডে বিসিসিআইয়ের প্রাক্তন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার কন্যার একটি বাড়ি রয়েছে। সেই বাড়ির মিউটেশন এবং বকেয়া ট্যাক্সের বিল মেটানোর জন্য প্রণব কয়াল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। প্রণব নিজেকে কলকাতা পুরসভার আধিকারিক বলে পরিচয় দেন। শুধু তাই নয়, ওই ব্যক্তি সহজেই ওই বাড়ির বকেয়া রাজস্ব মিটিয়ে দিতে পারবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এই কাজে প্রণব তাঁর দুই সহযোগী রোহিত বাগ এবং সামসুদ্দিন জমাদারকে যুক্ত করেন।
মূল অভিযুক্ত প্রণব বাড়ির মালকিনকে জানান, মিউটেশন ও বকেয়া ট্যাক্স বাবদ ভূমি রাজস্ব দপ্তরের কাছে জমা করতে হবে মোট ৪ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। বিশ্বাস করে সেই টাকা দিয়েও দেন বৈশালী ডালমিয়া। কিন্তু মিউটেশন কিংবা ট্যাক্সের বিল তাঁকে কিছু দেওয়া হয় না। বারবার প্রণব রায়ের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কেউ ফোন ধরেননি বলে অভিযোগ। এরপরেই গত ১৫ জুন বেহালা থানায় একটি প্রতারণা মামলা রুজু করেন বৈশালী ডালমিয়া। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করে বেহালা থানা। তদন্তে নেমে অন্যতম অভিযুক্ত সামসুদ্দিন জমাদারকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে কেন মোহনবাগানে? মুখ খুললেন সায়ন, ডার্বির ভেন্যুও চূড়ান্তের পথে
-
জঙ্গলের অন্তরালে বাংলায় এক টুকরো জনপদ, জনসংখ্যা মাত্র ১৬! গ্রামের ইতিহাস আশ্চর্য করবেই
-
এই সমাজ-সংসারে সর্বত্র গুন্ডামি, দমন করবে কে?
-
ফর্ম নয়, অন্য কারণে বসানো হয়েছে বৈভবকে, চুনকামের পর কী যুক্তি অধিনায়ক শ্রেয়সের?
-
আত্মীয়দের বাবা-মা সাজিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের আধার কার্ড! তৃণমূল নেতাকে খুঁজছে পুলিশ