Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২১ আগস্ট ২০২৬
Kolkata

রোগ সারাতে বাংলাদেশিদের ভরসা কলকাতাই! দেড় লক্ষ ভিসা আবেদনে মেডিক্যাল ট্যুরিজমে জোয়ার

ওপার বাংলার এই বিপুল সাড়ায় বাংলার চিকিৎসা ক্ষেত্রে আশার আলো দেখছেন বেসরকারি হাসপাতালগুলিও।

অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২১:৪২

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: জুলাই ৩, ২০২৬, ২১:৪২

options
link
রোগ সারাতে বাংলাদেশিদের ভরসা কলকাতাই! দেড় লক্ষ ভিসা আবেদনে মেডিক্যাল ট্যুরিজমে জোয়ার zoom
AI দ্বারা নির্মিত ছবি।
Advertisement

বাংলাদেশিদের জন্য ভারতে আসার পর্যটক ভিসা পরিষেবা চালু হতেই আছড়ে পড়ল আবেদনের ঢেউ। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় ১ লক্ষ ৪০ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি পর্যটক ভিসার আবেদন করে ফেলেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতে আসার জন‌্য পর্যটক ভিসার আবেদন মূলত চিকিৎসার উদ্দেশেই। সম্প্রতি এদের কথা মাথায় রেখেই মেডিক‌্যাল ট‌্যুরিজম প্রসারে কথা জানিয়েছিলেন রাজ্যের স্বাস্থ‌্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ‌্যায়।

চিকিৎসার জন‌্য বিদেশ থেকে অনেকেই আসেন পশ্চিমবঙ্গে। মূলত তাঁদের কথা ভেবই ডালপালা মেলছে মেডিক্যাল ট্যুরিজম। বাংলার নতুন সরকারের বাজেটে এই মর্মে ঘোষণাও করা হয়েছে। স্বাস্থ‌্যমন্ত্রীর বক্তব‌্য, “পশ্চিমবঙ্গে মেডিক‌্যাল ট‌্যুরিজমের যথেষ্ট জায়গা আছে। বাংলাদেশ, মায়নমার, ভুটান থেকে রোগীরা আসেন বাংলায়। মেডিক‌্যাল ট‌্যুরিজম গড়ে তোলার জন‌্য আরও বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে। পিপিপি মডেলে গড়ে উঠবে অত‌্যাধুনিক সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল।”

Advertisement

উডল‌্যান্ডস হাসপাতালের ম‌্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও রূপক বড়ুয়া জানিয়েছেন, “পর্যটক ভিসা চালু হতেই যে ভাবে মাত্র ২৪ ঘন্টায় লক্ষাধিক মানুষ ভারতে তথা কলকাতায় আসতে চেয়ে আবেদন করেছেন তা অত‌্যন্ত আশ‌াব‌্যঞ্জক। বিষয়টি রাজ্যের স্বাস্থ‌্য ব‌্যবস্থার জন‌্য ইতিবাচকও বটে।”

সেই সম্ভাবনাতেই এবার সিলমোহর দিল পর্যটক ভিসায় আবেদন করার হিড়িক। ওপার বাংলার এই বিপুল সাড়ায় বাংলার চিকিৎসা ক্ষেত্রে আশার আলো দেখছেন বেসরকারি হাসপাতালগুলিও। উডল‌্যান্ডস হাসপাতালের ম‌্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও রূপক বড়ুয়া জানিয়েছেন, “পর্যটক ভিসা চালু হতেই যে ভাবে মাত্র ২৪ ঘন্টায় লক্ষাধিক মানুষ ভারতে তথা কলকাতায় আসতে চেয়ে আবেদন করেছেন তা অত‌্যন্ত আশ‌াব‌্যঞ্জক। বিষয়টি রাজ্যের স্বাস্থ‌্য ব‌্যবস্থার জন‌্য ইতিবাচকও বটে।”

ফর্টিস হেলথকেয়ারের গ্রুপ চিফ অপারেটিং অফিসার অনিল বিনায়ক জানিয়েছেন, “বিপুল সংখ‌্যক আবেদনই প্রমাণ করছে ভারত তথা কলকাতার হাসপাতালগুলির প্রতি বাংলাদেশের রোগীদের আস্থা অটুট। এর মূলে বাংলার চিকিৎসকদের ক্লিনিকাল দক্ষতা এবং ভারতে সাশ্রয়ী চিকিৎসা।”

উল্লেখ‌্য, ২০২৪ সালের ৫ অগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশিদের পর্যটন ভিসা দেওয়া বন্ধ রেখেছিল ভারত। দু’বছর পর তা ফের চালু হল। ফর্টিস হেলথকেয়ারের গ্রুপ চিফ অপারেটিং অফিসার অনিল বিনায়ক জানিয়েছেন, “বিপুল সংখ‌্যক আবেদনই প্রমাণ করছে ভারত তথা কলকাতার হাসপাতালগুলির প্রতি বাংলাদেশের রোগীদের আস্থা অটুট। এর মূলে বাংলার চিকিৎসকদের ক্লিনিকাল দক্ষতা এবং ভারতে সাশ্রয়ী চিকিৎসা।” বিশেষজ্ঞদের মতে, ডবল ইঞ্জিন সরকারের আমলে মেডিক্যাল ট্যুরিজমের হাত ধরে বাংলায় যে পরিবর্তনের জোয়ার আসতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.