Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

বকেয়া টাকা নিতে বাড়িতে, চিমনি সংস্থার কর্মীকে বিষাক্ত পানীয় দিল বধূ

বিষক্রিয়ায় গুরুতর অসুস্থ ওই কর্মী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৮, ১৪:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৫, ২০১৮, ১৪:০২

options
link
বকেয়া টাকা নিতে বাড়িতে, চিমনি সংস্থার কর্মীকে বিষাক্ত পানীয় দিল বধূ zoom

অর্ণব আইচ: বহুজাতিক চিমনি বিক্রয়কারী সংস্থার কর্মীকে বিষ খাইয়ে মারার চেষ্টা। অভিযুক্ত এক ক্রেতা। ঘটনাটি ঘটেছে নিউ আলিপুরে। বিষক্রিয়ায় গুরুতর অসুস্থ ওই কর্মী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। খুনের চেষ্টার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে অভিযুক্ত গৃহবধূ মধুমন্তী সাহাকে।

[ফের পোকার বিষে ধুম জ্বর শিশুদের, শহরে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ‘স্ক্রাব টাইফাস’]

Advertisement

জানা গিয়েছে, গত জুলাই মাসের ২৭ তারিখ বহুজাতিক চিমনি বিক্রয়কারী সংস্থার দুটি পণ্য কেনেন নিউ আলিপুরের ‘ই’ ব্লকের এক গৃহবধূ। মূল্য বাবদ ৪০ হাজার টাকার একটি ব্যাংক চেক দেন তিনি। তবে সেই চেক ফেরত পাঠিয়ে দেয় ব্যাংক। বিষয়টি ওই গৃহবধূকে জানায় সংস্থা। তারপর পণ্যের মূল্য নগদে মিটিয়ে দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। সেইমতো শুক্রবার দুপুরে সংস্থার দুই কর্মী অমিত চক্রবর্তী ও সোমনাথ মণ্ডল প্রাপ্য টাকা আনতে অভিযুক্ত গৃহবধুর বাড়ি যান। অভিযোগ, সেখানে টাকা দেওয়ার নাম করে দীর্ঘক্ষণ তাদের বসিয়ে রাখা হয়। এরপর তাঁদের ঠান্ডা পানীয় খেতে দেওয়া হয়। ঠান্ডা পানীয় খাবার পরই অমিতবাবু অচৈতন্য হয়ে যান। বিষয়টি দেখে প্রবল ঘাবড়ে যান সঙ্গী সোমনাথবাবু। বিষয়টি ফোনে অফিসে জানাতে গেলে তার মোবাইল কেড়ে নেন অভিযুক্ত। এছাড়াও আক্রমণের জন্য দুই পোষা কুকুরকেও লেলিয়ে দেন ওই গৃহবধূ। কোনওমতে প্রাণ বাঁচিয়ে পালাতে সক্ষম হন সোমনাথবাবু। তারপর নিউ আলিপুর থানায় এসে তার অফিসে সহকর্মী দের বিষয়টি জানান। এরপর পুলিশের সহযোগিতায় অচৈতন্য অমিত বাবুকে ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করে সংকটজনক অবস্থায় স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়।

এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত ক্রেতার বিরুদ্ধে নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করে সংস্থাটি। তারপরই ওই গৃহবধূকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ সংস্থাটির কর্মীরা। যাঁদের উদ্বেগ, পেশাগত কারণে তাঁদের ক্রেতাদের বাড়ি যেতে হয়। আগামী দিনেও প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে তাঁদের এই কাজ করতে হবে। এবার ক্রেতাকে বিশ্বাস করে তৃষ্ণায় এক গ্লাস জল খাওয়ারও আর জায়গা রইল না।       

[শিয়ালদহে ‘কোড’ নম্বরেই বেরিয়ে যাচ্ছে বুকিংহীন পণ্য, রেলমন্ত্রীকে টুইট যাত্রীদের

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.