Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬

রক্তমোক্ষণে সুস্থ ১৫০ রোগী, শ্যামবাজারের জে বি রায় হাসপাতালে জোঁক বিপ্লব

কীভাবে এমনটা হয়? 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ০৯:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৮, ০৯:৩৯

options
link
রক্তমোক্ষণে সুস্থ ১৫০ রোগী, শ্যামবাজারের জে বি রায় হাসপাতালে জোঁক বিপ্লব zoom
Advertisement

গৌতম ব্রহ্ম:  গুরুতর অসুস্থ খোদ ওষুধ কোম্পানির মালকিন৷ পায়ের আলসার কিছুতেই সারছে না৷ ক্ষতস্থানে জোঁক বসিয়ে চিকিৎসা করেছিলেন ডাক্তার বিধানচন্দ্র রায়৷ এ শহরে সেই রেওয়াজ এখনও চলছে৷ শ্যামবাজারের জেবি হাসপাতালে এখনও পর্যন্ত জোঁক-চিকিৎসায় আলসার থেকে মুক্তি পেয়েছেন দেড়শো রোগী৷ অন্তত তেমনই দাবি পঞ্চকর্ম বিভাগের প্রধান অধ্যাপক পুলককান্তি করের৷

[আন্দোলনের জেরে প্রবেশিকা ফিরল যাদবপুরে, সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত উপাচার্যের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

পেরেক ঢুকে পচ ধরেছিল পায়ে৷ একটি অংশ অপারেশ করে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন চিকিৎসকরা৷ কিন্তু, রোগী যে আবার ‘ডায়াবেটিক’৷  পায়ে গ্যাংগ্রিনের জায়গায় জোঁক বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল৷ অপারেশন ছাড়াই দিব্যি সুস্থ হয়ে ওঠেছেন রোগী৷ এমন উদাহরণ ভুরি ভুরি৷ বস্তুত, শুধু আলসার বা গ্র্যাংগিনই নয়, সাদাস্রাব, সোরিয়াসিসি, ফাইলেরিয়ার মতো রোগও সারছে ‘লিচ থেরাপি’ বা জোঁক-চিকিৎসায়। রাজাবাজারের শ্যামাদাস বৈদ্যশাস্ত্রপীঠেও এই পদ্ধতিতে রোগীদের চিকিৎসা চলছে৷ জেবি হাসপাতালে পঞ্চকর্ম বিভাগের প্রধান পুলককান্তি করের দাবি, ডায়াবেটিস, বিশেষ করে ডায়াবেটিক আলসার সারানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি বিচ থেরাপি বা জোঁক চিকিৎসা৷

[রাজীব গান্ধীকে অপমানের অভিযোগ, কাঠগড়ায় ওয়েব সিরিজ ‘সেক্রেড গেমস’]

কিন্তু, কীভাবে এমনটা হয়?  শরীরে্র পচনশীল অংশের দূষিত রক্ত দ্রুত শুষে নিয়ে নতুন রক্তা সঞ্চালনে সাহায্য করে জোঁক৷ এমনকী, রক্তে শর্করার মাত্রাও নিয়ন্ত্রণে রাখে৷ জোঁকের শরীর থেকে ডেস্টাবিলেস নামে এক ধরণের প্রোটিন প্রবেশ করে মানুষের দেহে৷ যা বহু জেদি জীবাণুকে মেরে ফেলে৷ গবেষণা দেখা গিয়েছে, জোঁকের শরীরে থাকা নিউরোসিগন্যালিং এবং অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল পেপটাইড যে কোনও ধরনের সংক্রমণ কমাতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। জয়েন্ট পেনেও দারুণ কাজ করে জোঁক থেরাপি। ব্যথার জায়গায় কিছুক্ষণ জোঁক রাখলে রক্ত সরবরাহের উন্নতি হয়। ফলে অস্টিওপোরোসিসের মতো রোগের প্রকোপ কমে যায়। শ্যামাদাস বৈদশাস্ত্রপীঠের অধ্যাপক ডা৷ প্রদ্যুতবিকাশ কর মহাপাত্র জানালেন,  সুশ্রুতের আমল থেকেই রক্তমোক্ষণ থেরাপি বা ‘ব্লাড লেটিং’ থেরাপি চলছে। জলৌকা থেরাপি তারই অংশ। এই পদ্ধতিতে ক্ষতস্থান বা রোগগ্রস্ত জায়গায় তিন-চারটি ‘হিরুডো মেডিসিনালিয়া’ বা নির্বিষ জোঁক বসিয়ে দেওয়া হয় । এক একটি জোঁক ২ থেকে ১৫ মিলিলিটার রক্ত শুষতে পারে। সেই সঙ্গে মুখ থেকে এক ধরনের লালা মিশিয়ে দেয় রক্তে। যাতে হিরুডিন, ক্যালিক্রেইন, ক্যালিনের মতো কিছু উৎসেচক থাকে। যা রক্তের দুষ্টি দূর করতে সাহায্য করে।

[ট্রেনের প্যান্ট্রিতে বসানো হবে ক্যামেরা, যাত্রী সুরক্ষায় নয়া ভাবনা রেলের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.