BREAKING NEWS

৮ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বুধবার ২৫ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

নেতাজির জন্মদিন নিয়ে কেন্দ্রকে চিঠি নির্বাচনী চমক, মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ বামেদের

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: November 19, 2020 11:05 pm|    Updated: November 19, 2020 11:05 pm

An Images

বুদ্ধদেব সেনগুপ্ত: ভোট আসতেই নেতাজি প্রেম জেগেছে মুখ্যমন্ত্রীর। আটবছর ধরে দাবি করা হলেও তাতে কর্ণপাত করেননি। আজ কেন নেতাজির জন্মদিবসকে জাতীয় ছুটি ঘোষণার জন্য কেন্দ্রকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী? বৃহস্পতিবার এই প্রশ্নই করা হল বামেদের তরফে।

আটবছর ধরে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (Netaji Subhas Chandra Bose) জন্মদিবসকে দেশপ্রেম দিবস ও জাতীয় ছুটি ঘোষণার জন্য দাবি জানিয়ে আসছিল বামেরা। রাজ্য সরকারের কাছে আরজি ছিল যাতে তাদের পক্ষ থেকে কেন্দ্রের কাছে এই দাবি জানানো হয়। বামেদের তরফে এবিষয়ে একাধিকবার চিঠিও দেওয়া হয়। এবার মুখ্যমন্ত্রী নিজেই উদ্যোগী হয়ে বুধবার কেন্দ্রকে চিঠি দেন। ভোটের ঢাকে কাটি পড়তেই মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠি বলে কটাক্ষ করেছেন বাম পরিষদীয় দলনেতা সুজন চক্রবর্তী।

[আরও পড়ুন: যাত্রীবোঝাই চলন্ত বাসে দাউদাউ আগুন, ব্যস্ত সময়ে তুমুল চাঞ্চল্য হাওড়া ব্রিজে]

তাঁর অভিযোগ, গত আট বছর ধরে বারবার দাবি এই দাবি জানানো হলেও মাননীয়া তা শোনেননি। কয়েকবছর ধরেই কেন্দ্রের শাসকদল নেতাজিকে নিয়ে রাজনীতি করছে। তার সঙ্গে পাল্লা দিতেই মুখ্যমন্ত্রীর এই চিঠি বলে মনে করেন এই সিপিএম (CPI(M)) নেতা। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েও বেশকিছু প্রশ্ন তুলেছে নেতাজির পার্টি ফরওয়ার্ড ব্লক (Forward Bloc)। দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও প্রাক্তন মন্ত্রী হাফিজ আলম সাইরানি বলেন, “দেরিতে হলেও মুখ্যমন্ত্রী যে উদ্যোগ নিয়েছেন তাকে আমরা স্বাগত জানাই।”

তবে তাঁর প্রশ্ন, বামফ্রন্ট সরকারের শেষদিকে এই দিনটিকে দেশপ্রেম দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়। সেখানে বলা হয়, রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের মাধ্যমে জেলায় জেলায় জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকের দপ্তরে পালন হবে। আর শিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে স্কুল-কলেজে। এই বিষয়টা বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুরু করার নির্দেশ দিচ্ছেন না কেন এই প্রশ্নই তোলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের এই নেতা। তাঁর মতে, এখনই শুরু করলে ভাল। না হলে বুঝতে হবে পুরোটাই নির্বাচনী চমক।

[আরও পড়ুন: দেশের ৬ শহর থেকে বিমান চলাচল নিয়মিত হোক, রাজ্যের কাছে আবেদন সৌগত রায়ের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement