Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
25 restaurants cancelled in Kolkata

কলকাতার আরও ২৫ রেস্তরাঁর লাইসেন্স বাতিল, তালিকায় চাংওয়া, আলিয়ার মতো নামও

সব মিলিয়ে কলকাতায় মোট ৬৫টি রেস্তরা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেল। জেলাতেও বহু রেস্তরাঁকে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১০:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬, ১০:৩০

options
link
কলকাতার আরও ২৫ রেস্তরাঁর লাইসেন্স বাতিল, তালিকায় চাংওয়া, আলিয়ার মতো নামও zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

রাজ্য সরকারের খাদ্য সুরক্ষার নিয়ম না মানায় কলকাতা পুরসভার ‘লাইসেন্স বাতিল’-এর নোটিস পাওয়া ৪০ নামী রেস্তরা ও মিষ্টির দোকান ঘিরে বুধবার দিনভর খাদ্যরসিকদের মাঝে একইসঙ্গে ছিল তীব্র উৎকণ্ঠা ও বিতর্ক। এরই মধ্যে রাতে বাতিল করা হয় আরও ২৫টি রেস্তরার লাইসেন্স। সব মিলিয়ে কলকাতায় মোট ৬৫টি রেস্তরা সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেল। জেলাতেও বহু রেস্তরাঁকে নোটিশ পাঠানো হচ্ছে। তবে পুরকমিশনার স্মিতা পাণ্ডে সাংবাদিকদের কাছে যে সমস্ত রেস্তরার নাম তুলে অভিযোগ করেছেন তার মধ্যে নিজাম, বিগ বস-এর মতো অনেকগুলির সরকারি তালিকায় নেই। বস্তুত এই সুযোগ নিয়ে অনেক রেস্তরা দাবি করেছে, আমরা পুরসভা থেকে কোনও সাসপেন্ডের নোটিস পাইনি। আবার অনেক রেস্তরাঁ এদিন জোর গলায় দাবি করেছে, “খাদ্য সুরক্ষা বিধি ও আইন মেনে আমাদের লাইসেন্স বাতিল করার কোনও ক্ষমতা নেই পুরসভার।” স্বভাবতই পুরসভার তরফে ৪০ রেস্তরাঁর লাইসেন্স বাতিল করার বিষয়টি নিয়ে যথারীতি প্রবল বিতর্ক শুরু হয়েছে। অবশ্য এদিন সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, হলদিরাম, যুগলস, জয়হিন্দ, গুপ্তা ব্রার্দাসের মতো প্রতিষ্ঠানগুলিতে কেন খাদ্যসুরক্ষা আধিকারিকরা পরীক্ষায় গেলেন না?

পুরসভার তালিকা নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়ে এদিন ভবানীপুরের প্রখ্যাত মিষ্টান্ন প্রতিষ্ঠান বলরাম মল্লিক ও রাধারমণ মল্লিকের কর্ণধার সুদীপ মল্লিক এদিন আবার জানিয়েছেন, “পুরসভার তালিকায় যে মিষ্টির দোকানের উল্লেখ রয়েছে সেটি আমাদের নয়। আমাদের কোনও সংস্থার ক্ষেত্রে এমন কোনও নোটিসও আসেনি। আর আমরা মিষ্টি তৈরির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক খাদ্যবিধি মেনে চলি।” অন্যদিকে এদিনই প্রসিদ্ধ বিরিয়ানি প্রস্তুতকারক আরসালানের পক্ষ থেকে এদিনই সাংবাদিক সম্মেলন ডেকে স্পষ্ট করা হয়, খাদ্য গুণমানে কোনও আপস তাঁরা করেন না ও করার প্রশ্নও নেই। আরসালান রেস্তরা অ্যান্ড ক্যাটারারের সিওও হামজা আহসান বলেন, কোনও শাখার ক্ষেত্রেই কোনও নোটিস পাইনি। মুজাফফর আহমেদ স্ট্রিটের শাখায় সংস্কারের কাজ চলছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

তাঁদের দাবি, কোনও ধরনের ভেজাল বা নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করা হয় না। বাসি বা পচা মাংস পাওয়া যায়নি। মটন বিরিয়ানির ক্ষেত্রে ২৫ বছর যাবৎই কাশ্মীর থেকে উপকরণ আসে, চিকেনের ক্ষেত্রে ব্রয়লার নয়, দেশি মুরগি ব্যবহার করা হয়। আরসালানের নিজস্ব রাসায়নিক ও মাইক্রোবায়োলজির ল্যাবরেটরি খোলার পরিকল্পনা করেছে বলে জানানো হয়। সংস্থার তরফে অমিতাভ ঘোষ জানান, “কোনও খাবার শেষ হয়ে গেলে ‘সোল্ড আউট’ লিখে দিই, যাতে খাবার নিয়ে কোনও সংশয় না হয়। যশোর রোডের শাখায় ফুড সেফটি অফিসাররা গিয়ে দেখেন টেস্ট করতে গিয়ে ট্যাঙ্গি টেস্ট আছে।” তবে রাজ্য সরকারের খাদ্য সুরক্ষা অভিযানের উদ্যোগ স্বাগত জানিয়েছে আরসানাল। লাইসেন্স বাতিলের তালিকায় রয়েছে দাদা বউদির হোটেল, ডেন জং কিচেন, পার্ক স্ট্রিটের ডন জিওভানি ইত্যাদি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.