Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬

সুইমিং পুলে তলিয়ে গেলেন লাইফ সেভার, চাঞ্চল্য কলেজ স্কোয়্যারে

কীভাবে তিনি তলিয়ে গেলেন তা ভেবে পাচ্ছেন না তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৭, ০৭:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১১, ২০১৭, ০৭:১২

options
link
সুইমিং পুলে তলিয়ে গেলেন লাইফ সেভার, চাঞ্চল্য কলেজ স্কোয়্যারে zoom

স্টাফ রিপোর্টার: জলে ডুবে গেলে যিনি উদ্ধার করতেন, স্নান করতে নেমে তিনিই তলিয়ে গেলেন। শুক্রবার সকালে কলেজ স্কোয়্যারে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে গেলেন শৈলেন্দ্র মেমোরিয়াল লাইফ সেভিং সোসাইটির সদস্য কাজল দত্ত (৬৭)। ক্লাবের কর্মীরা সন্দেহ করছেন, জলে নেমে তলিয়ে গিয়েছেন তিনি। বাথরুম থেকে তাঁর তোয়ালে, পরনের জামা—প্যান্ট উদ্ধার করা হয়েছে। এভাবেই গতবছর হেদুয়াতেও জলে নেমে তলিয়ে গিয়েছিলেন দ্বিতীয় বর্ষের পড়ুয়া সঙ্গীতা দাস।

[সোনার দোকানে দুঃসাহসিক ডাকাতি, লোপাট ৩০ লক্ষ টাকার গয়না]

কলেজ স্কোয়্যারের ক্লাবের কর্মীরা জানিয়েছেন, রোজ সকালে ৬টা নাগাদ ক্লাবে চলে আসতেন কাজলবাবু। আধ ঘণ্টা শরীর চর্চা করে সাঁতার কাটতে নামতেন। প্রতিদিনের মতো এদিনও ৭টা নাগাদ জলে নামেন তিনি। তারপর থেকেই তার আর কোনও খোঁজ মেলেনি। দীর্ঘক্ষণ তাঁকে না দেখতে পেয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেন ক্লাবের কর্মচারীরা। অনেকেই জানান, কাজলবাবুকে জলে নামতে দেখা গিয়েছে কিন্তু উঠতে দেখা যায়নি। এরপরই কাজলবাবুর পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে আসে আমহার্স্ট স্ট্রিট থানার পুলিশ। এসেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের টিম। সুইমিং পুলে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ফিরহাদ-শোভনের পর এবার ইডির দপ্তরে হাজিরা সুব্রতর]

কাস্টমসের প্রাক্তন কর্মী কাজল দত্তের বাড়ি কাছেই। অত্যন্ত দক্ষ সাতাঁরু ছিলেন তিনি। কীভাবে তিনি তলিয়ে গেলেন তা ভেবে পাচ্ছেন না তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা। ক্লাবের এক কর্তা জানিয়েছেন, অত্যন্ত দক্ষ সাতাঁরু কাজলবাবু লাইফ সেভারের কাজ করতেন। কেউ ডুবে গেলে তাঁকে জল থেকে তুলে আনতেন। সেই তিনিই জলে তলিয়ে গিয়েছেন বিশ্বাস করতে পারছেন না অন্যান্য সাতাঁরুরা। গোটা ঘটনায় কান্নায় ভেঙে পড়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। জানা গিয়েছে, জাতীয় স্তরের সাঁতারু ছিলেন কাজলবাবু। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে নিয়মিত এই ক্লাবে সাঁতার কাটতে আসতেন তিনি। ক্লাবে তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মীরা আশঙ্কা করছেন, জলে নামার পর হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তাঁর। পরিবারের লোকেদের অভিযোগ, ক্লাবে নজরদারিতে খামতি ছিল। কেন কাজলবাবু সাঁতার কাটতে নামার সময় পাড়ে কেউ ছিলেন না। সাধারণত এইসময়টায় কলেজ স্কোয়্যারে লোকজন কমই থাকে। ক্লাবের কর্মকর্তারা বিস্ময় প্রকাশ করে জানিয়েছেন, যিনি এত ভালো সাঁতার জানতেন। দীর্ঘ পঞ্চাশ বছরে হাতেকলমে সাঁতার শিখিয়েছেন তিনিই তলিয়ে গিয়েছেন বিশ্বাস করা যাচ্ছে না।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.