অর্ণব আইচ: লকডাউনের বাজারে মদ না পেয়ে হাঁসফাঁস করছেন মদ্যপায়ীরা। অনেকেই বেশি টাকা দিয়ে মদ কিনছেন। কেউ বা আবার লুকিয়ে চুরিয়ে হাঁড়িয়া জোগার করছেন। বুধবার দুপুরে একটি খবর ছড়ায়, কলকাতায় বাড়ি দোরগোড়ার পৌঁছে যাবে মদ। অর্ডার দিলে দোকান থেকে বাড়িতে মদ পৌঁছে দিয়ে আসা হবে। তবে কোনওভাবেই মদ কিনতে দোকানে যাওয়া চলবে না। এই নির্দেশিকা ঘিরে শহরজুড়ে হইচই পড়ে যায়। যদিও পরে কলকাতা পুলিশ জানায়, গোটা খবরটি ভুয়ো। এরকম কোনও নির্দেশিকা জারি করা হয়নি।
এদিন ভাইরাল হওয়া মেসেজটিতে বলা হয়, শহরে সকাল ১১টা থেকে দুপুর দুটোর মধ্যে ফোন করে মদের অর্ডার দেওয়া যাবে। দুপুর দুটো থেকে বিকেল পাঁচটার মধ্যে বাড়িতে এসে সেই মদ পৌঁছে দিয়ে যাওয়া হবে। অফ শপ, অন শপ বা হোটেল, বার বা রেস্তরাঁ থেকেও মদ হোম ডেলিভারি করা হবে। বাড়ির নিকটবর্তী মদের দোকানে অর্ডার দেওয়া যাবে। তবে দোকানে গিয়ে মদ কেনা যাবে না বলেও নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছিল।
[আরও পড়ুন : হাওড়ায় করোনা আক্রান্ত এক পরিচারক, সংক্রমণের কারণ নিয়ে ধন্দে স্বাস্থ্য দপ্তর]
এদিকে মদ হোম ডেলিভারি করতে হলে পুলিশের তরফে বিশেষ পাসের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলেও মেসেজটি উল্লেখ করা হয়। মদের দোকানের মালিকদের নিকটবর্তী থানায় গিয়ে পাস নেওয়ার আবেদন জানাতে বলা হয়। এক-একটি দোকানের জন্য তিনটি করে পাসের ব্যবস্থাও নাকি করা হচ্ছিল। সেই বিশেষ পাসে ওসি কিংবা অ্যাডিশনাল ওসির সই থাকতে হবে।
[আরও পড়ুন : কোয়ারেন্টাইনে থাকা এনআরএসের আরও ৪০ জনের রিপোর্ট নেগেটিভ, স্বস্তিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ]
এই পদক্ষেপকে স্বাগতও জানিয়েছিল কলকাতার মদ্যপায়ীরা। তাঁদের কথায়, “নেশার জন্য মদ কিনতে হচ্ছিল। কিন্তু লুকিয়ে চুরিয়ে অনেক বেশি টাকা দিয়ে কিনছিলাম। এবার বাড়িতে মদ পৌঁছে দিলে আমাদেরও লাভ আবার সরকারের কোষাগারেও আয় বাড়বে।” কিন্তু পরে এই নির্দেশিকাকে গুজব বলে উড়িয়ে দেয় কলকাতা পুলিশ।
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’